advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেবা ও পণ্য সব খাতেই নেতিবাচক রপ্তানি আয়

৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২৪
আপডেট: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২৪
advertisement

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে মোট ৬৩ খাতের মধ্যে ৪৪টি খাতেই রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেনি। এ ছাড়া সেবা খাতেও রপ্তানি আয় নেতিবাচক। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেবা খাতে রপ্তানি আয় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, পোশাক খাতের ওপর ভর করে চলা ইতিবাচক রপ্তানি আয় দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ১ হাজার ৫৭৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৮০৫ কোটি ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ
কম। এর মধ্যে শুধু পোশাক খাতে ১ হাজার ৩০৮ কোটি ৮৬ লাখ ডলার পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৩.৬৩ শতাংশ কম এবং গত বছরের তুলনায় প্রায় ৭.৭৪ শতাংশ কম। পোশাক খাতে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৫১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ৩২ কোটি ৬৮ লাখ থাকলেও আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, যা প্রায় ২৩.৮৩ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯ কোটি ১০ লাখ ডলার, যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। কিন্তু বিগত অর্থবছরে এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ১০.০৩ শতাংশ।
এদিকে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই ৩ মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। যার বিপরীতে আয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ৯১ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৯.৪৫ শতাংশ কম। সেবা খাতের ৩০টি উৎসের মধ্যে ২১টি উৎস থেকেই রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবা খাতের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ কোটি ডলার। যার বিপরীতে আয় হয়েছে ১৫ কোটি ৯ লাখ ডলার। যা প্রায় লক্ষ্যমাত্রার ২০.৫৩ শতাংশ কম। এ ছাড়া তথ্য যোগাযোগ খাতে ১৫ কোটি ৩২ লাখ ডলারের বিপরীতে ১২ কোটি ৩৩ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা প্রায় ১৯.৫৩ শতাংশ কম।
চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। যা গত অর্থবছরে অর্জিত হয়েছিল ৪ হাজার ৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এ ছাড়া সেবা খাতে ৮৫০ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যা বিগত অর্থবছরে ছিল ৬৩৩ কোটি ডলার।

advertisement