advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তও নজিরবিহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৬
advertisement

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তকেই নজিরবিহীন বললেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্ট অবস্থা নজিরবিহীন বলেছেন। আমরা তো মনে করছি, এ ধরনের সিদ্ধান্তও নজিরবিহীন। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী গুরুতর

অসুস্থ। তার চিকিৎসার জন্য জামিন আবেদনকে গুরুত্ব না দিয়ে যারা আদেশ মানল না তাদের আরও সময় দিলেন। দুর্ভাগ্য এ দেশের ও জাতির।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ’৯০-র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য’-এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের ‘মিথ্যা’ মামলা প্রত্যাহার এবং স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ব্যাপক হট্টগোল করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা এ অবস্থা চলার একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এটিকে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে’ বলে মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি নব্বইয়ের ডাকসুর ভিপি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সাবেক এজিএস নাজিম উদ্দিন আলমের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নব্বইয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাবেক ছাত্রনেতা খন্দকার লুৎফর রহমান, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি ও হাবিবুল ইসলাম হাবিব প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, বৃহস্পতিবার তো সরকার আদালত অবমাননা করেছে। নির্ধারিত দিনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের প্রতিবেদন না দিয়ে বিএসএমএমইউর উপাচার্য আদালত অবমাননা করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধান বিচারপতিকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। বিচার বিভাগকে শ্রদ্ধা করি। তবে বিস্মিত হই যখন ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। আমরা ক্ষুব্ধ হয়েছি, হতাশ হয়েছি যে, প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগ এ বিষয়টি (প্রতিবেদন জমা না দেওয়া) কেউ লক্ষ করেননি এবং কোনো ব্যবস্থা নেননি।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, মনে হয় সরকার নয়, দলের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি সব সময় চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এরা যখন বিচার বিভাগ অবমাননার কথা বলে, আমার মনে হয়Ñ ভূতের মুখে রাম নাম। এই হাইকোর্টে তারা লাথি মেরেছে চিফ জাস্টিসের দরজায়, হাইকোর্টে তারা বস্তি বসিয়েছিল, লাঠি মিছিল করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা যখন বলেন, সব ঠিক আছে, খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন। তখন বিএসএমএমইউর ভিসি বা ডাক্তারদের ঘাড়ে কটা মাথা যে, তারা বলবেন তিনি খারাপ আছেন। আমাদের বিচার বিভাগের যে অবস্থাÑ কে কতটা সাহস রাখবেন, আমরা জানি।

এরশাদের ক্ষমতা ছাড়ার দিনটি (স্বৈরাচার পতন দিবস) মিডিয়া ভুলে গেছে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, তা হলে আমরা কী মনে করবÑ সংবাদমাধ্যম মনে করছে এখন আর গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই। এটি একটি বিস্ময়ের ব্যাপার। সরকার মুখে ‘ঢাক ঢোল পিটিয়ে বেড়ালেও’ অর্থনীতির সব সূচক নিম্নগামী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

advertisement