advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৯ ডিসেম্বর রাতের ‘অবৈধ ফসল’ আজকের পার্লামেন্ট : গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৫:৫৯ | আপডেট: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:৫৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পুরোনো ছবি
advertisement

জাতীয় সংসদ ‘অবৈধ’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতের অবৈধ ফসল হচ্ছে আজকের পার্লামেন্ট। রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে যদি আমরা পার্লামেন্টে যোগ দিয়ে থাকি তাহলে আজকে আমাদের দায়িত্ব, যারা আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্টে আছেন তাদের সর্বপ্রথম পার্লামেন্টে পদত্যাগ করে জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামা।’

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নারী শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত ‘আর কতকাল বন্দী থাকবে খালেদা জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আমরা পার্লামেন্টে থাকব আবার সরকারের পতন চাইব, এই শব্দটা কিন্তু জনগণ পছন্দ করবে না। অর্থাৎ আমরা যেটা চাই সেটা জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে যে আসলেই আমরা সরকারের পতন চাই। তখন জনগণ রাস্তায় রক্ত দেওয়ার জন্য আপনার পাশে দাঁড়াবে। যতক্ষণ আমাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জনগণের কাছে স্পষ্ট করে বোঝাতে না পারবো ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো আন্দোলন দানা বেঁধে উঠবে না।’

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এটা ভারত মনে করে না এমন মন্তব্য করে গয়েশ্বর বলেন, ‘যদি তারা সেটা মনে করত তাহলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গে গেছেন কিন্তু তাকে প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা দেয় নাই কেন? অথবা সরকারের পক্ষ থেকে তার কোনো প্রতিবাদ হয় নাই কেন? কেন তিনি অনুষ্ঠান বর্জন করে দেশে ফিরে আসলেন না? বুঝতে হবে যারা ৭১ এ আমাদেরকে সাহায্য করেছে আমরা মনে করি তারা আমাদেরকে সাহায্য করেছে। ৪৭ বছর পরে তারা মনে করে তারা সেদিন বিনিয়োগ করেছে। আমাদের দেশে তারা বিনিয়োগ করেছে, তারা আমাদের কাছ থেকে নিতে চায় তাদের সাথে আমাদের বোঝাপড়া করা দরকার আপনাদের কাছে আমাদের ঋণের পরিমাণ কত? এই পরিমাণ নির্ধারণ হলে প্রয়োজনে আমরা ১৬ কোটি মানুষ রক্ত বিক্রি করে সে ঋণ শোধ করব। তবুও এই দেশকে কারো দাসত্বের অধীনে থাকতে দেব না।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘আজকে খালেদা জিয়ার জামিন হবে কি হবে না তা আদালতের ওপর নির্ভর করে না। এসকে সিনহার যে নির্মম বিদায় তাতে বর্তামানে যারা বিচারপতি আছেন তারা মানুষ। তারাও সাবধান, তাদের পরিণতি এরকম হোক সেটা তো তারা চাইবে না। এসকে সিনহার পরে বিচার বিভাগের যে অবস্থা তাতে তারা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে পারছে না।’

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সভাপতি বেগম সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আওয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

advertisement