advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তরুণীর মাথা কেটে মগজ দিয়ে ভাত খেল যুবক

অনলাইন ডেস্ক
৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৮:০৮ | আপডেট: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৮:০৮
অভিযুক্ত লিয়াডো ব্যাগটগ। ছবি : ডেইলি মেইল
advertisement

বিরক্ত হয়ে এক তরুণীকে হত্যার পর তার মাথা কেটে মগজ বের করে ভাতের সঙ্গে খেয়ে ফেলেছেন এক যুবক। তবে পুলিশ তাকে আটকের পর মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছে। গত বৃহস্পতিবার নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপে।

তবে নিহত তরুণীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত তরুণীর পরিচয় জানার জন্য স্থানীয়দের সহায়তা চেয়েছে পুলিশ।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে মিন্দানাও দ্বীপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন লিয়াডো ব্যাগটগ (২১) নামের ওই যুবক। মদ্যপান করে ভোরে রাস্তায় বের হয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকভাবে হাঁটার ক্ষমতাও ছিল না তার।

পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে লিয়াডো বলেছেন, তিনি মদ্যপান করেছিলেন এবং প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত ছিলেন। ভোরবেলা ওই তরুণী পিছু নিয়ে ইংরেজিতে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তরুণীর ভাষা তিনি বুঝতে পারছিলেন না।

পুলিশের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ম্যারিবেথ রামোগা বলেন, সম্ভবত ভাষা না বোঝার কারণে বিরক্ত হয়েছিল লিয়াডো।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুণীকে লিয়াডোর সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখেছেন। লিয়াডোর বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে ওই তরুণীর মরদেহ পায় পুলিশ।

তাদের ধারণা, লিয়াডোই ওই তরুণীকে কোমড়ের বেল্ট দিয়ে বেঁধে বড় ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা আলাদা করেন। পরে কাপড়ে বেঁধে ওই তরুণীর মাথা বাসায় নিয়ে যান।

লিয়াডো পুলিশকে বলেছেন, বাসায় যাওয়ার পর তিনি ভাত রান্না করেন। এরপর ভাতের ওপর ওই তরুণীর মস্তিষ্ক রেখে সেটি খেয়ে ফেলেন। পরে বাড়ির পাশের একটি গর্তে তার খুলি ফেলে দেন।

লিয়াডো দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন। আটকের পর পুলিশ তার মানসিক অবস্থা নির্ণয়ের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশ বলছে, ওই যুবকের বাসা থেকে মাথার খুলি ও রক্তাক্ত একটি কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ধারণা, রক্তাক্ত কাপড় দিয়ে তরুণীর মাথাটি বাসায় নিয়ে আসা হয়ে থাকতে পারে।

advertisement