advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাদক মামলায় সম্রাট ও আরমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আদালত প্রতিবেদক
৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:২০ | আপডেট: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:২০
ফাইল ছবি
advertisement

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহসভাপতি এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চার্জশিট দাখিল করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)। আজ সোমবার ঢাকা সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুল হালিম এ চার্জশিট দাখিল করেন।

এদিন ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদ-উর-রহমান সনাক্ত করে আগামী ১৫ ডিসেম্বর শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

চার্জশিটে আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৯ বোতল বিদেশি মদের রাসায়নিক পরীক্ষায় ৩৭ থেকে ৪৩ শতাংশ অ্যালকোহল পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া তাদের কাছ থেকে পাওয়া ১১৬০ পিস ইয়াবায় মাদক অ্যামফিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যা ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সারণী ২৪(খ)/১০(ক)/৪১ ধারার অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চার্জশিটে বলা হয়, আসামি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, আসামি আরমানের সহযোগীতায় উল্লেখিত মাদক সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেছেন তিনি। সে ঢাকার দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবগুলো পরিচালনা করতেন। তার নিয়ন্ত্রিত ক্লাব গুলোতে ক্যাসিনোসহ জুয়ার আসর বসতো। জুয়া খেলা থেকে তিনি বিপুল অর্থ সম্পত্তির মালিক হন। তিনি প্রতি মাসে ক্যাসিনো খেলতে সিঙ্গাপুর যান। তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করতেন। তার সহযোগী কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। 

এর আগে গত ৬ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে সম্রাটকে নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তার রাজধানীর কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভেতর থেকে উল্লেখিত মাদক, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া পাওয়া যায়। চামড়া রাখার দায়ে ওইদিন সম্রাটকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে রাতে কারাগারে পাঠায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।

এরপর গত ৭ অক্টোবর অস্ত্র এবং মাদক মামলায় সম্রাট ও আরমানকে গ্রেপ্তার দেখানসহ দশ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। যার শুনানির জন্য ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়। তবে অসুস্থতার জন্য গত ১৫ আগস্ট রিমান্ড আবেদনের শুনানির পর সম্রাট দুই মামলায় ১০ দিনের এবং আরমানের এক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

ওই রিমান্ড শেষে ২৪ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর মধ্যে গত ৬ নভেম্বর অবৈধ অস্ত্র রাখার মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়েছে।

এরপর গত ১২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং আরমানের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে। ওই মামলায় গত ১৭ নভেম্বর উভয়ের ৬ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। উভয় আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

advertisement