advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

টিআইবির ন্যায়পাল
দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বড্ড প্রয়োজন

১০ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩৬
আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩৬
advertisement

সাংবাদিকতা মানেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা উল্লেখ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ন্যায়পাল অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, ‘সব খবরই অনুসন্ধান করে বের করতে হয় বলে সবই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। তবে অনেক সংবাদ আছে, যেগুলো প্রতিকূলতার মধ্যে বের করে আনতে হয়। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভিত্তি খুবই নৈতিক। তবে যখন দুর্নীতি, সহিংসতার মতো বিষয়গুলো

বাড়ে তখন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজন হয়। বর্তমানে দেশে সে পরিস্থিতিই চলছে।’
গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানম-িতে টিআইবির কার্যালয়ে ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ প্রেক্ষিত : গণমাধ্যম জবরদখল’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। সভা শেষে টিআইবি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ দেওয়া হয়। এ বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১০ সাংবাদিককে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
সৈয়দ মনজুরুল বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই সাংবাদিকতা কঠিন হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ এখন অনেক বেশি। এর মধ্যেই সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে তাদের কাজ করে যাচ্ছেন। আগামীতেও সাংবাদিকতাকে আদর্শিক জায়গা থেকে গ্রহণ করে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পূর্ণ পেশাগত প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।’
আলোচনায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বিশে^র অন্যান্য অনেক দেশের মতোই বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমও ঝুঁকির মধ্যে। বিশেষ করে এ দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য ঝুঁকিটা বেশি। এর মধ্য দিয়েই সাংবাদিকদের টিকে থাকতে হবে। চাপের মুখে থেকেও সাংবাদিকতার মান ও নৈতিকতার সঙ্গে আপস না করে নিজেদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচারের মাধ্যমে পেশাগত উৎকর্ষ সাধন নিশ্চিত করতে হবে।’
সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরিচালক শেখ মঞ্জুর-ই-আলম। আরও বক্তব্য দেনÑ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন।

 

advertisement