advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ধুতি-পাঞ্জাবি পরে নোবেল নিলেন অভিজিৎ ব্যানার্জি

অনলাইন ডেস্ক
১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৪:২৬ | আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৪:২৬
নোবেল পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অভিজিৎ ব্যানার্জি ও তার স্ত্রী এস্থার ডাফলো
advertisement

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে বাঙালি সাজে উপস্থিত হন  অভিজিৎ ব্যানার্জি (৫৮) ও তার স্ত্রী এস্থার ডাফলো (৪৬)।

গতকাল মঙ্গলবার স্টকহোমের কনসার্ট হলে নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ড. ব্যানার্জিকে  একটি খাকি রঙয়ের পাঞ্জাবির ওপর কালো রঙয়ের ভেস্টে দেখা যায়। এর সঙ্গে তিনি সোনালী পাড়ের সাদা ধুতি পরে যান, যা তার বাঙালি শেকড়ের পরিচয় দিচ্ছিল।

তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে তার স্ত্রী ফরাসী-আমেরিকান ড. ডাফলোও এসেছিলেন বাঙালি বেশভূষায়। তিনি নীল শাড়ির সঙ্গে  লাল ব্লাউজ পরে আসেন। তার সাজকে সম্পূর্ণ করতে বাঙালি কায়াদায় কপালে একটি লাল টিপ ও সোনার গহনাও পরেন তিনি।

এই দম্পতির সহকর্মী মাইকেল ক্রেমারও এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একটি কালো স্যুট পরে।

অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, এস্থার ডাফলো এবং মাইকেল ক্রেমার ‘বিশ্ব দারিদ্র্য দূরীকরণে পরীক্ষামূলক পদ্ধতি’ বিষয় নিয়ে বিস্তৃত গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন। অক্টোবর মাসে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করার পর গতকাল মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

কলকাতায় জন্ম নেওয়া অভিজিত ব্যানার্জি ১৯৮৩ সালে নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে এমএ সম্পন্ন করেন। পরে ১৯৮৮ সালে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পিএইচডি করতে শুরু করেন।

ড. ব্যানার্জি এবং ড. ডাফলো  (৪৬) দুজনই  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) অধ্যাপক।

অর্থনীতিতে ৫০ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন এস্থার ডাফলো। এর আগে ২০০৯ সালে এলিনোর অস্ট্রোম প্রথম নারী হিসেবে পান এ পুরস্কার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাঞ্জাবী-পায়জামা পরেই ২০০৬ সালে নোবেল পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। 

advertisement