advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাশরাফির ঢাকাকে উড়িয়ে দিলো রাজশাহী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:০৪ | আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:০৬
ম্যাচ জয়ের পর রাজশাহী রয়্যালসের খেলোয়াড়দের উল্লাস। ছবি : বিসিবি
advertisement

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় দিন নিজেদের প্রথম ম্যাচে সুবিধা করতে পারেনি মাশরাফি মোর্তজার ঢাকা প্লাটুনস। রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তোলেন তারা।

শেষ দিকে মাশারাফি ঝোড়ো ব্যাটিং না করলে আরও হয়তো কম রানেই গুটিয়ে যেতো ঢাকা। এই রানের টার্গেটে খেলতে নেমে তুড়ি মেরে ঢাকাকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা প্লাটুস ও রাজশাহী রয়্যালস মুখোমুখি হয়েছে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরেন মাশরাফি-তামিম। ম্যাচে টসে জিতে রাজশাহী রয়্যালসের আন্দ্রে রাসেল ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা প্লাটুনসকে।

শুরু থেকে আসা যাওয়ার মিছিলে থাকা ঢাকার ব্যাটসম্যানরা শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তোলে। টার্গেটে খেলতে নেমে লিটন দাস ও হজরতুল্লাহ জাজাইয়ের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শুভসূচনা করে রাজশাহী। শুরুর ধারবাহিকতা শেষ পর্যন্ত বজায় রেখে ৯ উইক্টের বিশাল ব্যবধানে মাশরাফির ঢাকাকে হারায় রাজশাহী। সর্বোচ্চ ৫৬ রান আসে হজরতুল্লাহ জাজাইয়ের ব্যাট থেকে। জাজাইয়ের সঙ্গে শোয়েব মালিক ৩৬ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। লিটন দাস ২৭ বলে ৩৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই জিতে যায় রাজশাহী। ঢাকার হয়ে একটি মাত্র উইকেট নেন মেহেদী হাসান।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই তামিমের উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। মাত্র পাঁচ রান করে ফেরেন তামিম। সর্বোচ্চ ৩৮ রান আসে এনামুল বিজয়ের ব্যাট থেকে। ৩৩ বলে তিনি ৩৮ রান করেন। একমাত্র বিজয় একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন, অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা ছিলেন আসা যাওয়ার মিছিলে। এ ছাড়া জাকের আলী ২১, লরি ইভান্স ১৩ ও ওহাব রিয়াজ ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। মাশরাফি ১০ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। দুটি ছয়ের মারে তিনি এই রান করেন। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী। সবচেয়ে বেশি ৪৩ রানও দিয়েছেন তিনি। একটি করে উইকেট নেন তাইজুল, ফরহাদ, অলক কাপালী ও রবি বোপারা।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর প্রতিযোগিতামূলক কোনো ক্রিকেটে দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজাকে। অন্যদিকে তামিম ইকবাল বিশ্বকাপ পরবর্তী শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর তাকেও দেখা যায়নি ক্রিকেটের কোনো ফরমেটে। দীর্ঘ বিরতির পর দুজনই ফিরলেন বঙ্গবন্ধু বিপিএলে। কিন্তু হেরে দুজনের ফেরাটা সুখকর হলো না।

advertisement