advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

যুক্তরাজ্যে ‘নতুন ভোর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৩:২৮
বরিস জনসন। ফাইল ছবি
advertisement

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টিকে ‘ঐতিহাসিক’ জয় এনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, তার ও দলের প্রতি জনতার যে আস্থা, সেই আস্থার প্রতিদান তিনি দেবেন। জনসন বলেন, আগামী মাসের মধ্যে তিনি ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে চান। বিবিসি।

বৃহস্পতিবার ভোট হয়েছে ৬৫০ আসনে। সবকটি আসনের ভোট গণনা হয়ে গেছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি জয় পেয়েছে ৩৬৫ আসনে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২৬ আসন।

প্রধান বিরোধী দল পেয়েছে ২০৩ আসন। বাকি আসনগুলোর মধ্যে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি) পেয়েছে ৪৮, লিবারেল ডেমোক্র্যাট ১১, আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি) ৮ এবং অন্যরা ১৫টি। চলতি বছর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নির্বাচনে নাইজেল ফারাজের ব্রেক্সিট পার্টি চমক দেখালেও নির্বাচনে তারা কোনো আসনই জিততে পারেনি।

ফল পাওয়ার পর বরিস জনসন বলেন, জনরায়ের প্রত্যাশা মেটাতে তিনি একটি ‘জনগণের সরকার’ গঠন এবং ‘সার্বক্ষণিক কাজ’ করবেন।

নির্বাচনে ভরাডুবি মেনে নিয়েছেন বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। পরবর্তী নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেবেন না জানিয়ে তিনি লেবারের শীর্ষ পদ থেকে সরে যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ইউরোপের ২৮ দেশের জোট থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ কার্যকর বা ব্রেক্সিটই মূল ইস্যু হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নির্বাচনে বিরোধী লেবার পার্টি এমনকি মিডল্যান্ডস ও উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের মতো ঘাঁটি অঞ্চলগুলোরও আসন খুইয়েছে। ওয়েলসে তারা হারিয়েছেন ৬ আসন।

জনসনের নেতৃত্বে এবার কনজারভেটিভ পার্টি ১৯৮৭ সালের পর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছে। আর করবিনের নেতৃত্বে লেবার করেছে ১৯৩৫ সালের পর সবচেয়ে খারাপ ফল। করবিন বলেন, তিনি দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন।

জয় নিশ্চিত হওয়ার পর নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেন, নির্বাচনে যুক্তরাজ্যে ‘নতুন সূর্য’ উদিত হয়েছে। ১৯৯৭ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর লেবারের টনি ব্লেয়ারও এমন কথাই বলেছিলেন।

লেবার পার্টির অনেক সমর্থক বৃহস্পতিবার কনজারভেটিভ পার্টিকে ভোট দিয়েছে দাবি করে জনসন সেসব ভোটারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জনসন বলেন, ‘হয়তো আগামীবারই আপনারা ফের লেবারেই ফিরে যেতে চাইবেন; যদি তাই হয়, তাও এবার আমার ওপর আস্থা রাখায় আমি কৃতজ্ঞ, আমি আপনাদের সমর্থনকে ব্যর্থ হতে দেব না। আমাকে

ভোট দিয়ে আপনারা যে ঠিক কাজটিই করেছেন, তা নিশ্চিতে আমি সার্বক্ষণিক, দিন-রাত কাজ করার লক্ষ্য ঠিক করেছি, যেন ভবিষ্যতেও আপনারা আমাকেই সমর্থন করেন।’

advertisement