advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দোহাজারী সিরাজগঞ্জ ও শেরপুর মুক্ত দিবস আজ

আমাদের সময় ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫৩
advertisement

লাল-সবুজের দেশ, সোনার বাংলাদেশ। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত হয়েছে এই দেশের স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ১৪ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় বগুড়ার শেরপুর, চট্টগ্রামের দোহাজারী ও সিরাজগঞ্জ শহর। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন।

শেরপুর : পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্তিযোদ্ধারা এই দিনে বগুড়ার শেরপুর নিয়ন্ত্রণে নেন। এ দিবস উপলক্ষে আজ বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনাসভা ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং শেরপুর হানাদারমুক্ত দিবস পালন করবে।

দোহাজারী : দক্ষিণ চট্টগ্রামের দোহাজারীতে পাক হানাদার বাহিনীর শক্তঘাঁটি ছিল। এই দিনে ভারতীয় মিত্র ও মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে টিকতে না পেরে পাক হানাদার বাহিনীর সৈন্যরা পরাজিত হয়ে দোহাজারী থেকে পালিয়ে যায়। এই দিনে দোহাজারী হানাদার মুক্ত দিবসে প্রথমে দোহাজারীতে জাতীয় পতাকা উক্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধাকালীন ৫৪ নম্বর গ্রুপের ডেপুটি কমান্ডার বর্তমান চন্দনাইশ উপজেলা কমান্ডার জাফর আলী হিরু। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করবে।

সিরাজগঞ্জ : ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা সিরাজগঞ্জ শহরে পাক হানাদার বাহিনীকে তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে। নিয়ন্ত্রণে নেয় স্থল ও নৌপথ। একমাত্র রেলপথ পাক হানাদারদের দখলে থাকে। ১৪ ডিসেম্বর সকালে এই পথ ধরেই পাক হানাদাররা পালিয়ে যায়। সেই সঙ্গে শত্রুমুক্ত হয় জেলার বেলকুচি, কামারখন্দ, রায়গঞ্জ, চৌহালী, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর থানা এলাকা। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হবে আজ।

advertisement