advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফেডারেশন কাপের ড্র ও লোগো উন্মোচিত
চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর সঙ্গী আরামবাগ পুলিশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:১৫
advertisement

ফেডারেশন কাপ দিয়ে শুরু হচ্ছে ২০১৯-২০ মৌসুমের পথচলা। আগামী ১৮ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে ফেড কাপের ৩১তম আসর। প্রিমিয়ার লিগে খেলা ১৩ দলের অংশগ্রহণের আসরটি অনুষ্ঠিত হবে। গত আসরে খেলা ১১ দলের সঙ্গে নতুন দুই দল যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ ও উত্তর বারিধারা ক্লাব এবার প্রিমিয়ার লিগে উত্তীর্ণ হয়েই খেলতে যাচ্ছে ফেডারেশন কাপ। গত আসরে খেলা টিম বিজেএমসি ও নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব অবনমনের খবরে বাদ পড়েছে। ফেড কাপ সামনে রেখে গতকাল বাফুফে ভবনে ১৩ ক্লাব কর্তাদের উপস্থিতিতে ড্র ও লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠান হয়। ড্রয়ে চ্যাম্পিয়ন আবাহনী পড়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ এবং বাংলাদেশ পুলিশ।

মৌসুমের প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট ফেডারেশন কাপ। গেল মৌসুমে লিগের স্ট্যান্ডিং অনুযায়ী ছিল ড্র সিডিং। ১৩তম দল হিসেবে উত্তর বারিধারা ছিল আলাদা সিডে। উত্তর বারিধারা কোন গ্রুপে পড়বে সেটা আগে নির্ধারিত হয়। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও ঘরোয়া ফুটবলে শতাধিক গোলদাতা ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব উত্তর বারিধারার গ্রুপ ‘ডি’ উঠান। ফলে ডি গ্রুপে চারটি দল ও অন্য তিন গ্রুপে তিনটি করে দল নিয়ে হবে গ্রুপপর্ব। এরপর যথাক্রমে প্রতি গ্রুপের তৃতীয়, দ্বিতীয় ও প্রথম দল প্রতি সিডিংয়ের পট থেকে তোলা হয়।

ফেডারেশন কাপে ১৩টি দল চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে পরস্পরের বিপক্ষে লড়বে। প্রথম তিন গ্রুপে তিনটি করে দল; শেষ গ্রুপে পড়েছে চারটি। গ্রুপ ‘বি’-তে পড়েছে বর্তমান রানার্সআপ বসুন্ধরা কিংস, চট্টগ্রাম আবাহনী এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন, গ্রুপ সি-তে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাব এবং রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি এবং গ্রুপ ডি-তে শেখ রাসেলের সঙ্গী মোহামেডান, মুক্তিযোদ্ধা এবং উত্তর বারিধারা ক্লাব। প্রতি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে।

প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ দল। ফেড কাপে ভালো করার ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ ফুটবল দলের ম্যানেজার শেখ মারুফ হাসান। ড্র অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ‘আমরা ভালো দল গড়েছি। অনুশীলন হয়েছে যথেষ্ট। আমরাও ফেডারেশন কাপে ভালো কিছু করতে চাই।’ টুর্নামেন্টে ভালো ফলের ব্যাপারে আশাবাদী ক্যাসিনো কা-ে সমালোচিত দুই ক্লাব মুক্তিযোদ্ধা ও মোহামেডানের কর্তারাও।

ফেডারেশন কাপের ৩১তম আসর মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। দলগুলো নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সেরেছে। মাঠের অনুশীলনের পাশাপাশি খেলেছে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচও। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী এবারও শিরোপা ধরে রাখার ব্যাপারে আত্মপ্রত্যয়ী। টুর্নামেন্টের সর্বাধিক ১১ বারের চ্যাম্পিয়ন আকাশি-নীলরা। এরপর রয়েছে মোহামেডান। সাদা-কালোরা ফেড কাপে চুমু এঁকেছে মোট ১০ বার। এরপর ৩ বার করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ব্রাদার্স ও শেখ জামাল এবং শেখ রাসেল একবার শিরোপা জিতেছে। বাকি দলগুলোর কেউ জিততে পারেনি। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম আবাহনী ফাইনালে উঠলেও রানার্সআপে সন্তুষ্ট থাকে। পরের বছর একই ভাগ্য বরণ করে বসুন্ধরা কিংস। এছাড়া ৩ বার রানার্সআপ হয়েছে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে লন্ডভন্ড আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব ও টিম বিজেএমসিও একবার করে রানার্সআপ হয়েছে।

গত মৌসুমে ফাইনালে আবাহনী এবং বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়দের মধ্যে মাঠে বাকবিত-া, মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। এবার এমন কিছু যাতে না ঘটে তার জন্য সতর্ক বাফুফে। এ ব্যাপারে কাল ড্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি জানান, ‘খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা সবাইকে বাফুফে থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে। সবাই নিয়ম পালন করবে আশাকরি।’ আসরে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ লাখ টাকা; রানার্সআপের জন্য থাকছে ৩ লাখ। ড্র অনুষ্ঠানে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমের খান, শেখ জামালের কর্তা আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু, শেখ রাসেলের পরিচালক সালেহ জামান সেলিমসহ বাফুফের অন্য কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement