advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রুম্পাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:১৮ | আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৮:৪১
রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা। ফাইল ছবি
advertisement

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মরদেহের ময়নাতদন্তে তার শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পায়নি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। আজ শনিবার সকালে ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‌‘রুম্পার মরদেহ ময়নাতদন্তে আমরা তিনটি টেস্ট করেছি। এর মধ্যে বায়োলজিক্যাল টেস্টের প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসেছে। এতে দেখা গেছে তার শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) আরও দুটি প্রতিবেদনের রিপোর্ট পাওয়া যাবে। সব পেলে তিনটা মিলে একটা প্রতিবেদন তৈরি করে আমরা পুলিশের কাছে জমা দেব।’

শুধু ময়নাতদন্ত করেই হত্যা না আত্মহত্যা, সেটি নির্ণয় করা যাবে না। এর জন্য পারিপার্শ্বিক অন্য অনেক বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয় বলেও জানান ডা. সোহেল মাহমুদ।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পেছনের তিনটি ভবনের মধ্যবর্তী স্থান থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ দেখে আশপাশের লোকজন কেউ চিনতে না পারায়, শনাক্তের জন্য মৃতের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হয়। পরে স্বজনরা তাকে দেখে শনাক্ত করেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ওইদিন সন্ধ্যায় শারমিন দুটি টিউশনি করে বাসায় ফেরেন। পরে তিনি কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রেখে ও সে সময় পরিহিত স্যান্ডেল বদলে বেরিয়ে যান রুম্পা। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরেননি। পরিবারের লোকজনসহ স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে খবর পেয়ে রুম্পার মাসহ স্বজনরা রমনা থানায় গিয়ে মরদেহের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন।

নিহত রুম্পার বাবা রোকন উদ্দিন হবিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। রুম্পার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় হলেও রাজধানীর মালিবাগের শান্তিবাগ এলাকায় থাকতেন তিনি।

এদিকে, রুম্পার ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’কে হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে এর বিচার চেয়ে কয়েক দফা বিক্ষোভ করেছেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

এরই মধ্যে রুম্পার কথিত প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, রুম্পা-সৈকতের সম্পর্কের ইতি টানতে চেয়েছিলেন সৈকত। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে সৈকত তার সহযোগীদের নিয়ে রুম্পাকে সিদ্ধেশ্বরীর সেই বাসার ছাদে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে ওই ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেন।

advertisement