advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খুনের বদলা নিতেই হত্যা করা হয় আনছার সদস্য হোসেনকে

যশোর প্রতিনিধি
১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০৮
advertisement

যশোরের হাসিমপুর বাজারে আনসার সদস্য হোসেন আলী হত্যার রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকা-ে জড়িত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আধিপত্য বিস্তার এবং খুনের প্রতিশোধ নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ৩০ নভেম্বর সকালে যশোরের হাশিমপুর বাজারে একটি চায়ের দোকানের সামনে ৯-১০ সন্ত্রাসী হোসেন আলীকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। ঘটনার দিনই নিহতের ছেলে হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১২ ডিসেম্বর পুলিশ আমিনুর রহমান মিঠু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে ও রিমান্ডে নেয়। মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।

মিঠুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পুলিশের একাধিক টিম ঢাকার কাফরুল ও ভাসানটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল, আনোয়ার, হাবিল ওরফে বার্মিজ, বিজয় বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে। এদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই রাতে যশোরের হাশিমপুর বাজার থেকে সুজন ও সজল এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া থেকে আলী রাজ বাবু ওরফে ছোটবাবুকে আটক করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তাররা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে জুয়েলের সঙ্গে হোসেন আলী তরফদারের স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কলহ ছিল। একসময়ের চরমপন্থি সংগঠনের সদস্য হোসেন আলী সরকার সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসেন। পরে আনসার বাহিনীতে চাকরি হয় তার। কিন্তু চাকরিতে থাকা অবস্থায়ও ওই বাহিনীর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল। জুয়েলের ভাই বাবলা ও মুন্নার বাবা বুলি সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হওয়ার ঘটনায় হোসেন আলীর হাত ছিল বলে তাদের (জুয়েল ও মুন্না) সন্দেহ ছিল। এসব কারণে হোসেন আলী খুন হয়েছেন বলে পুলিশের দাবি।

advertisement