advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কার্যকর পদপেক্ষ জরুরি : শাহজালালে এখনো নিরাপত্তাঝুঁকি

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০৯
advertisement

দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠে। অতিসম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে ফের উঠে এসেছে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি। দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তার দিক থেকে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ধরা পড়েছে। প্রতিবেদনে বন্দরটির বাইরেই শুধু নয়, ভেতরের অনেক অব্যবস্থাপনাও তুলে ধরা হয়েছে। চিহ্নিত করা হয়েছে বেশ কিছু সমস্যা-সংকট। কিন্তু বাস্তবে গুরুত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদপেক্ষ দেখা যায় না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- বিমানবন্দরের অবস্থা এমন ঝুঁকিপূর্ণ কেন, এমন অবহেলা কেন? আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর একটি দেশের প্রবেশদ্বার। এর নিরাপত্তার সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তির প্রশ্নও জড়িত। দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্ব হেলাফেলা কিছুতেই কাম্য নয়। দেশের প্রধানতম এ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে বিশ্বব্যাপী ভাবমূর্তি নষ্ট হবে- এমনকি জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক আঘাত আসবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই কথাবার্তা হচ্ছে। এটি স্পষ্ট যে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাজনিত সমস্যার মূলে প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী এবং যথাযথ নজরদারির ঘাটতি রয়েছে।

আমরা মনে কির, প্রতিবেদনে নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়ে যেসব বিষয় সামনে এসেছে, সেগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে ২০টি সুপারিশ এখনো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে বিভিন্ন বাহিনীর চৌকস সদস্যদের নিয়ে গঠন করতে হবে এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্স। পাশাপাশি অযোগ্য, অদক্ষ, আনফিটদের সরিয়ে দিয়ে সেখানে দক্ষ লোকদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। দক্ষ কর্মী ও জনবল নিয়োগের পাশাপাশি উন্নত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া দরকার। দেশের প্রধান বিমানবন্দর নিয়ে যেসব সমস্যা ও সংকট দেখা দিয়েছে সেগুলো অবিলম্বে দূর করতে হবে।

advertisement
Evall
advertisement