advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আইসিএমএবি সমাবর্তন-২০১৯
অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে আইসিএমএবি : টিপু মুনশি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:৪০ | আপডেট: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:৪০
advertisement

আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টের (আইসিএমএবি) সমাবর্তন ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এ সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি আইসিএমএবির ডিগ্রিধারী অ্যাসোসিয়েট এবং ফেলো সদস্যদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ মো. মুসলিম চৌধুরি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি পূর্বশর্ত হচ্ছে একদল সুশিক্ষিত কর্মী বাহিনীর উপস্থিতি। বাংলাদেশের মতো একটি সীমিত সম্পদের দেশে এটা আরও বেশি প্রয়োজনীয়। সুশিক্ষিত মানব সম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আইসিএমএ বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। হিসাব এবং ব্যয়ের যথাযথ পরিচালনা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই প্রয়োজন। আমরা প্রতিটি খাতেই উন্নয়ন চাই। আমি আশা করি আইসিএমএবি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’ বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের অপচয় ও অপব্যবহার রোধ। আমি মনে করি, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টগণ এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।’ তিনি সনদপ্রাপ্তদের সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ মো. মুসলিম চৌধুরি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে দক্ষ কর্মী চাই আমাদের। এখনকার এই ডিগ্রি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেই চলবে না। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ে নিজেকে প্রশিক্ষিত করে তোলা প্রয়োজন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে নিজেকে উপযোগী করে তুলতে হবে।’ তিনি সনদপ্রাপ্ত কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের তাদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান।

আইসিএমএবির সভাপতি এম আবুল কালাম মজুমদার এফসিএমএ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিশ্বায়ন এবং বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জের সাথে পাল্লা দেওয়ার জন্য হিসাববিজ্ঞান পেশায় দক্ষ পেশাদারের প্রয়োজন বেড়েছে। পথচলার শুরু থেকেই হিসাববিজ্ঞান পেশার প্রসার এবং এই পেশায় দক্ষ ব্যক্তি গড়ে তোলার বিষয়ে আইসিএমএবি মনোযোগী।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত অর্থনীতির রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া আমাদের দেশের লক্ষ্য। এ জন্য সরকারি এবং বেসরকারি খাত পরিচালিত এমন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আমাদের গড়ে তুলতে হবে যা হবে স্বচ্ছ, ব্যাখ্যাপযোগী এবং সুশাসন নিশ্চিত করে।’ তিনি সনদপ্রাপ্ত সিএমএ ডিগ্রিধারীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিএমএবির কনভোকেশন কনভেনার এবং সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। ইনস্টিটিউটের সচিব মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ ধন্যবাদ বক্তব্য দেন।

আইসিএমএবি সমাবর্তন-২০১৯ অনুষ্ঠানে ২৪৫ জন সিএমএ ডিগ্রিধারী ফেলো ও অ্যাসোসিয়েট সদস্যদের মাঝে সনদপত্র ও পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল প্রাপ্তদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি, আধা-সরকারি, ব্যক্তি মালিকানাধীন, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং ইনস্টিটিউটের সাবেক সভাপতি, কাউন্সিল সদস্য, বিপুল সংখ্যক ফেলো ও অ্যাসোসিয়েট সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

advertisement