advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বঙ্গবন্ধু বিপিএল
আমিরের রেকর্ডে প্রথমবার ফাইনালে খুলনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৩ জানুয়ারি ২০২০ ২৩:০৬ | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২০ ০৮:১৯
ছবি : নজরুল মাসুদ
advertisement

মোহাম্মদ আমিরের ঝলকে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী রয়্যালসকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথম ফাইনালিস্ট হলো খুলনা টাইগার্স। ২৭ রানে জয় পেয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন মুশফিকুর রহিমের দল। খুলনার হয়ে মোহাম্মদ আমির একাই নেন ছয় উইকেট। বিপিএলের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার।

অন্যদিকে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করেও রাজশাহীকে জেতাতে পারেননি শোয়েব মালিক। হেরে গেলেও বাদ পড়ে যায়নি রাজশাহী। দলটি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে খেলতে নামবে। এই ম্যাচে জয়ী দল ১৭ তারিখ ফাইনাল ম্যাচে ট্রফির লড়াইয়ে নামবে খুলনার বিপক্ষে। 

আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে টস জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রাজশাহী। ব্যাটিং করতে নেমেই মিরাজ দ্রুত ফিরে গেলেও অন্য ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত সাজঘরে ফেরেন ৭৮ রান করেই। ৫৭ বলে সাতটি ৪ ও চারটি ৬ মারেন শান্ত। এই ইনিংসেই ভর করে খুলনা ১৫৮ রান করতে সক্ষম হয়। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানো বাঁহাতি ব্যাটসম্যান এই ম্যাচেও খেলেন দুর্দান্ত। এ ছাড়া শামসুর রহমান ৩২ ও মুশফিক ২১ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে ইরফান সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।

১৫৯ তাড়া করে খেলতে নেমে এই টুর্নামেন্টে অন্যতম ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান লিটন দাস ২ রান করেই আমিরের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাজঘরে। এরপর একে একে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেন, অলক কাপালী, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল ও ফরহাদ রেজা। শুরুর এই ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ রান করেন আফিফ হোসেন।

তবে লিটন-আফিফদের মতো সহজেই হার মানেননি শোয়েব মালিক। প্রথম ওভারে ব্যাটিং করতে নেমে মাঠে ছিলেন ১৮ ওভার ওভার পর্যন্ত। সর্বোচ্চ ৮০  রান আসে তার ব্যাট থেকে। মাত্র ৪৯ বলে দশটি ৪ ও চারটি ৬ মেরে এই রান করেন মালিক।  তাইজুলের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে ৭৪ রানের জুটিতে দলের হাল ধরেন মালিক। তবুও শেষ পর্যন্ত ২৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত রাজশাহী করে ১৩১ রান।

চার ওভার বোলিং করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ছয় উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। বিপিএলের ইতিহাসে এর আগে এক ম্যাচে ছয় উইকেট পায়নি কোনো বোলার। এর আগে পাঁচ উইকেট করে নিয়ে নিয়েছিলেন ওহাব রিয়াজ, রবি ফ্রাইলিঙ্ক ও থিসারা পেরেরা। এ ছাড়া ফ্রাইলিঙ্ক ও শহীদুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।

advertisement