advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দেশে এবার অধিকহারে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২০ ২৩:৩৬
advertisement

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, আমি তো বলছি পেঁয়াজের দাম এ মুহূর্তে বেশি। ভারত ইতোমধ্যেই পেঁয়াজ রপ্তানির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, কাজেই পেঁয়াজের দাম অবশ্যই কমবে। তিনি বলেন, পেঁয়াজের বিষয়টি সরকার এবার গুরুত্বসহকারে নিয়েছে। মাঠপর্যায়ে নানা প্রণোদনার কারণে অতীতের তুলনায় এবার অধিকহারে

পেঁয়াজ উৎপাদন হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদে জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শিরিন আখতারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখন পেঁয়াজের মৌসুম। পার্শ¦বর্তী দেশ ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে এবং অন্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আসবে। কোনোক্রমেই পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা কেজি থাকবে না। এটা অবশ্যই কমে আসবে। পেঁয়াজের ওপর যথেষ্ট গবেষণা করেছি এবং বিজ্ঞানীরা অনেক উন্নতমানের জাত আবিষ্কার করেছে এবং এখন হেক্টরে ২০, ২৫, ৩০ টন পর্যন্ত পেঁয়াজ উৎপাদন করা সম্ভব। পেঁয়াজের বিষয়টি সরকার এবার গুরুত্বসহকারে নিয়েছে। মাঠপর্যায়ে নানা প্রণোদনা দিতে অতীতের তুলনায় এবার অধিকহারে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা আমদানি বন্ধ করে দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনকারী কৃষকরা যেন ন্যায্যমূল্যে পায় সে ব্যবস্থা করা হবে। কারণ পেঁয়াজ পচনশীল। ভরা মৌসুমে কৃষকরা পেঁয়াজ খুব অল্প মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এতে পেঁয়াজ উৎপাদনে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। আগামীতে এটা যেন না হয় সে ব্যাপারে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, মসলা নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি। বগুড়াতে একটা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। প্রকৃতির কারণে সব মসলা বাংলাদেশে হয় না। অনেক মসলা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যেগুলো আমাদের দেশে হয় সেগুলো তো উৎপাদন করছি এবং সরকার এ জাতীয় মসলে যারা আবাদ করবে তাদের ৪ শতাংশ হারে সুদ দিয়ে কৃষককে প্রণোদনা দেয় বা ঋণ দেয়। কৃষকরা মসলা পেঁয়াজ উৎপাদন করে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে লোন নিতে পারবে। আসলে সব মসলা বাংলাদেশে হয় না।

আয়েন উদ্দিনের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে দাম কিছুটা বৃদ্ধি থাকলেও স্থিতিশীল রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তবে আগামীতে পেঁয়াজ নিয়ে কোনো সংকট সৃষ্টি হবে না। যদি আমদানি করতেই হয়, তবে আগে থেকেই আমদানির ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকরা যাতে পেঁয়াজের উৎপাদনের ন্যায্যমূল্য পায়, স্থানীয় পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

advertisement
Evall
advertisement