advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জঙ্গি অর্থায়ন অব্যাহতি পেলেন দুই আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২০ ২৩:৩৬
advertisement

নাশকতার জন্য জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডকে অর্থায়নের অভিযোগে দায়ের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন দুই আইনজীবী হাসানুজ্জামান লিটন ও মাহফুজ চৌধুরী বাপন। মামলা দুটিতে বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের আবেদন গ্রহণ করে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের অব্যাহতি দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। দুই আইনজীবীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এমএস আজিম। পরে হাসান এমএস

আজিম বলেন, ‘আইনজীবী লিটন ও বাপন তাদের নামে অভিযোগ গঠনের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট তাদের ওই দুই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।’

সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ‘মাদ্রাসাতুল আবু বকর’-এ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। প্রতিষ্ঠানটিকে ‘জঙ্গি প্রশিক্ষণকেন্দ্র’ বলে উল্লেখ করে সন্ত্রাস দমনের উদ্দেশে গঠিত চৌকস এ বাহিনীটি। এ ছাড়া র‌্যাবের ভাষ্যমতে, ২১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার লটমণি পাহাড়ে একটি ‘জঙ্গি প্রশিক্ষণকেন্দ্র’ থেকে বিপুল অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুই থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৩ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে র‌্যাব জানিয়েছিল, হাটহাজারী ও বাঁশখালী থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা চট্টগ্রামভিত্তিক নতুন জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের সদস্য। আর সংগঠনটিকে অর্থায়নের অভিযোগে ওই বছরের ১৮ আগস্ট ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাসহ তিনজনকে। ২০১৭ সালের মার্চে শাকিলা ফারজানাকে দুই মামলায় প্রধান আসামি করে মোট ৬১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দাখিল করে র‌্যাব। গত বছর ২০ আগস্ট হাটহাজারীর এ দুই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল।

এর পর অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করে অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন ও অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন। গত বছরের ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। ২৬ নভেম্বর আপিল বিভাগ চার সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল নিষ্পত্তি করতে বলেন। গতকাল আপিল নিষ্পত্তি করে দুই আনইজীবীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

advertisement
Evall
advertisement