advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণ বৈঠকে থাকছেন না মমতা

অনলাইন ডেস্ক
১৭ জানুয়ারি ২০২০ ১১:২৬ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২০ ১১:৩৫
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement

ভারতে জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণ (এনপিআর) বিষয়ে আজ শুক্রবার দিল্লিতে দেশের সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে এক বৈঠকের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু সেই বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একটি জনসভার মঞ্চে মমতা বলেন, ‘ওরা এই ১৭ তারিখ এনপিআর নিয়ে দিল্লিতে মিটিং করছে। আমিতো যাব না, আমার রাজ্য যাবে না।’

মোদি সরকারের প্রতি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন,‘ওরা চাইলে আমার সরকারকে ফেলে দিয়ে দেখাক।’

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, এর আগে এনপিআর-এর পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণের (এনআরসি) বিরুদ্ধেও সরব হন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। এনপিআর আসলে এনআরসি-র প্রথম পদক্ষেপ, এমনটাই মনে করেন তিনি।

এই দুটি বিষয়েরই বিরোধিতা করে কিছুদিন আগেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ‘এনপিআরের পাশাপাশি বিজেপি যদি বাংলায় জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ করতে চায় তাহলে আমার মৃতদেহের উপর দিয়ে করতে হবে।’

 গত সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,‘যদি কেউ আপনার অধিকার ছিনিয়ে নিতে আসে তবে ভয় পাবেন না, আপনার পাহারাদার আছে। অন্য পাহারাদারদের মতোই রুখে দাঁড়াবো আমি, এই কাজ করতে হলে আমার মৃতদেহের উপর দিয়ে করতে হবে। তার আগে নয়। এটা এতো  সহজ নয়। গুজব,ষড়যন্ত্রে ভয় পাবেন না।’

গত ডিসেম্বরে আসাম ছাড়া দেশের অন্য সব রাজ্যে এনপিআর করার প্রস্তাব অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ। তবে এনআরসি ও সংশোধিত নাগরিক তালিকা নিয়ে দেশ জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পরে কিছুটা থমকে যায় কেন্দ্রীয় সরকার। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, গোটা দেশে এনআরসির প্রয়োগ করার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

সম্প্রতি দেশের ২০টি বিরোধী দল দিল্লিতে সংশোধিক নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি এবং এনপিআর নিয়ে বৈঠক করে এবং সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা তাদের রাজ্যে জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ বা এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছেন তাদের অবশ্যই জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণ বা এনপিআরের কাজও স্থগিত করতে হবে। এনপিআরের কাজ ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরালায়। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরাও ঘোষণা করেছেন যে তারা তাদের রাজ্যে এটির প্রয়োগ করবেন না।

advertisement