advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফাইনালে ২১ রানে হার খুলনার
দাপুটে রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৮ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২০ ০২:০৯
advertisement

নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল বঙ্গবন্ধু বিপিএল। সপ্তম আসরের শিরোপা জিতেছে রাজশাহী রয়্যালস। মুজিববর্ষের বিশেষ এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে গতকাল পদ্মাপারের দলটি ২১ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্সকে। ম্যাচসেরা আন্দ্রে রাসেল। সিরিজ সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহীর উইন্ডিজ এ অলরাউন্ডার।
জনজোয়ার জেগেছিল মিরপুরে। ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মধ্যে বাড়তি রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে। রাজশাহী রয়্যালস ও খুলনা টাইগার্সের মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ছিল কানায়-কানায় পরিপূর্ণ। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা রাজশাহী ৪ উইকেটে ১৭০ রান করে। খুলনা ৮ উইকেটে ১৪৯ রানের বেশি তুলেতে পারেনি।
কুড়ি ওভারের ক্রিকেট। তার ওপর আবার ফাইনালের মঞ্চ। এখানে ১৭০ রান চ্যালেঞ্জিং স্কোরই বটে। রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা তাদের দায়িত্বটা সঠিকভাবেই পালন করেছেন। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে অবশ্য প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয়েছেন লিটন দাস ও
আফিফ হোসেন। তবে ইরফান শুক্কুর, আন্দ্রে রাসেল, মোহাম্মদ নওয়াজরা ছিলেন আপন আলোয় উজ্জ্বল।
রাজশাহীকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারিয়ে প্রথমবার ফাইনালে ওঠে খুলনা। শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চেও পদ্মাপারের দলকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে পান মুশফিকরা। এবার যেন অন্য এক রাজশাহী। দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছে। তারা শিরোপা জিততে ছিল মরিয়া। শুরুতেই আফিফের উইকেট হারালেও চ্যালেঞ্জিং স্কোর পেয়েছে দলটি। ৩৫ বলে ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন শুক্কুর। ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারালেও পঞ্চম উইকেটে স্কোরকার্ডে ৭১ রান যোগ করে। তাতে রাসেলের অবদান ১৪ বলে ২৬ এবং নওয়াজ ২০ বলে ৪১। দুজনই অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন। খুলনার বোলারদের ওপর রীতিমতো স্টিমরোলার চালিয়েছেন নওয়াজ। ২০ বলে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৪১ রানের ইনিংস খেলেন। রাসেল তার ২৭ রানের ইনিংসটা সাজিয়েছিলেন ১৬ বলে তিনটি ছক্কায়। দুই উইকেট পাওয়া খুলনার আমির টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার।
রান তাড়ায় দলীয় ১১ রানে শান্ত ও মিরাজের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে খুলনা। শামসুর, রুশোরা চেষ্টা করেন। তবে দলকে জয়ের স্বাদ দিতে পারেননি। শুধু পরাজয়ের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছেন। ৪৩ বলে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন শামসুর। ২৬ বলে ২৭ রুশো। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুশফিক জ্বলে উঠতে পারেননি। ১৫ বলে ২১ রান করেন তিনি। ইরফান, রাসেল ও রাব্বি দুইটি করে উইকেট পান।

 

advertisement