advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেবা প্রদানকারী ও গ্রহীতাদের মধ্যে আন্তরিকতা প্রয়োজন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
১৮ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৩ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৩
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।  ছবি : আমাদের সময়
advertisement

সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে আন্তরিকতার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।  

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা- ২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকা শক্তি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে আন্তরিকতা প্রয়োজন। এতে সেবার মান ভাল হয়। বাংলাদেশে ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ায় সেবার মান ভাল হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থের সাশ্রয়ের পাশাপাশি হয়রানিও কম হয়। আর যারা সেবা গ্রহণ করবেন তাদেরকে জানতে হবে সেবা নেওয়ার কৌশল।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিনিয়োগ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বাংলাদেশের জনবলের বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে অর্থনৈতিক কূটনীতি ও পাবলিক ডিপলোমেসির বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা আগামী দুবছর- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্য এদেশের ৭৭টি মিশনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে তুলে ধরব। আমরা দারিদ্রক্লিষ্ট অর্থনীতির হিসেবে বাংলাদেশের ব্রান্ডিং আমরা পরিবর্তন করতে চাই।’

ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের ১ কোটি  ২২ লক্ষ লোক বিদেশে কাজ করে যাদের অধিকাংশ অদক্ষ। বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠাতে পারলে আমাদের রেমিট্যান্স অনেক বেড়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘সেবার মান বৃদ্ধিতে দূতাবাস অ্যাপস চালু করা হয়েছে। এতে ৩৪ ধরনের সেবা খুব সহজে পাওয়া যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ দুটি সম্পদ মানবসম্পদ ও পানি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে আমাদেরকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।’

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল সিটি; এখানে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে ৫২ ধরনের সেবা পাওয়া যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement