advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাতারবাড়ির ডিপিপি অনুমোদন চলতি মাসেই

১৯ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২০ ০০:২৬
advertisement

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলগাটে মাতারবাড়ি বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) চলতি মাসের মধ্যেই পাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব) রফিফুল ইসলাম। গতকাল শনিবার মাতারবাড়ি বন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তার সঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ছিলেন।

রফিকুল ইসলাম সাংবাাদিকদের বলেন, নির্মাণাধীন পায়রা বন্দর, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর আগামীর চাহিদা মোকাবিলা করতে পারবে। এ তিনটি প্রকল্প চালু হলে অন্তত আগামী ২৫ বছর আমাদের সমস্যা থাকবে না। প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়েছে। পরিদর্শন শেষে আমরা দ্রæত ডিপিপি পাসের জন্য প্রতিবেদন দাখিল করব। আশা করছি চলতি মাসেই এটি পাস হবে। ডিপিপি অনুমোদনের পর প্রকল্পের কাজ দ্রæত শুরু করতে তাগাদা দেব।

বর্তমানে আড়াই কিলোমিটার এলাকায় বে-টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে এটিকে সাত কিলোমিটারে উন্নীত করে সীতাকুÐের কুমিরা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করব আমরা।

চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ি বন্দর পরিদর্শনে তিন দিনের সফরে চট্টগ্রাম আসে স্থায়ী কমিটি। গত শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা এবং গতকাল মাতারবাড়ি পরিদর্শন করে। আজ রবিবার বন্দর ভবনের সম্মেলনকক্ষে বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারা।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব) রফিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিদর্শন টিমে ছিলেন কমিটির সদস্য রণজিৎ কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, এসএম শাহজাদা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুছ ছাত্তার, উপসচিব বেগম মালেকা পারভীন, ড. দয়াল চাঁদ মÐল, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপপরিচালক আবদুল জব্বার, সিনিয়র সহকারী সচিব এসএম আমিনুল ইসলাম। কমিটিতে থাকলেও পরিদর্শনে যাননি স্থানীয় সংসদ সদস্য এমএ লতিফ।

জানা গেছে, মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়নে ১৩ হাজার ২৫৩ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাইকা। বাকি ২ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ও ২ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা অন্যান্য সংস্থা থেকে সংস্থান করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে বেশ কিছু বিষয়ে জানতে চেয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ‘মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চাহিদা মেটানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দ্রæত বন্দর সেবা নিশ্চিতে ভ‚মিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় মাতারবাড়ি বন্দরে ৩০০ ও ৪৬০ মিটার দৈর্ঘ্যরে দুটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় দুটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন, একটি মাল্টি গ্যান্ট্রি ক্রেন, ছয়টি আরটিজি, দুটি রিচ স্ট্যাকার ও ১২টি ইয়ার্ড চেসিস ট্রাক্টর কেনা হবে। একই সঙ্গে তিনটি টাগবোট, একটি পাইলট বোট, একটি সার্ভে বোট ক্রয় এবং ২৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার চার লেন সড়কও নির্মাণ করা হবে।

advertisement
Evall
advertisement