advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চীনের ভাইরাস ঠেকাতে শাহজালালে বিশেষ সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ জানুয়ারি ২০২০ ২১:২৫ | আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২০ ২১:২৬
ফাইল ছবি
advertisement

চীনের নতুন ভাইরাস সিভিয়ার অ্যাকুইট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (এসএআরএস) যেন বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্ক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার থেকে এসব সতর্ক ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল আহসান। তিনি জানান, যাত্রীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোসহ এসএআরএস ভাইরাস প্রতিরোধে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-চীন-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, চায়না ইস্টার্ন ও চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের ছয়টি ফ্লাইট যাওয়া-আসা করে। এর মধ্যে চীন থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এরই অংশ হিসেবে আজ সকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে ওরিয়েনটেশন প্রোগ্রাম করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), সিভিল অ্যাভিয়েশনের কর্মকর্তাসহ বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা অংশ নেন।

গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল আহসান জানান, চীন থেকে আসা তিনটি সরাসরি ফ্লাইটের যাত্রীদের ফিজিক্যাল স্ক্রিনিং করানো হবে। বিমানবন্দরে স্থাপিত থার্মাল স্ক্যানারের ভেতর দিয়ে আসার সিগন্যাল বা সংকেত দিলে ওই যাত্রীকে পরীক্ষা করবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সাধারণত কারও শরীরের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলেও থার্মাল স্ক্যানার সংকেত দেয়। এরপর ওই যাত্রীকে বিমানবন্দরে কোয়ারেনটাইন রুমে রেখে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হবে।

শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তাকে (যাত্রী) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যাত্রীরা চীনের কোন শহর থেকে এসেছেন। কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, অবস্থানের সময়সহ বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একই সঙ্গে চীনে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাকে এসব পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

চীন সরকারের বরাত দিয়ে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসএআরএস  হলো একটি নিউমোনিয়া-সংশ্লিষ্ট ভাইরাস। এতে দুজন প্রাণ হারিয়েছে। হুয়ান শহরে এই ভাইরাসে ৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছে।

গত শুক্রবার লন্ডনের ইম্পিরিয়াল কলেজের এমআরসি সেন্টার ফর গ্লোবাল ইনফেকশনস ডিজিজ অ্যানালাইসিসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত হুয়ানে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে।

যদিও চীন সরকার এই ভাইরাসের আক্রমণ ও বিস্তার রোধে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নিয়েছে।

advertisement