advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

টাঙ্গাইলে কামাল হত্যায় জড়িতরা ছিনতাইকারী

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
২১ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৫০
advertisement

টাঙ্গাইলে পাবনার কামাল হোসেন (৪৫) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় আড়াই মাস পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত রবিবার টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আকরামুল ইসলামের কাছে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা হলোÑ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার নারকেলি গ্রামের কাউছার আহমেদ, সাকরাইল গ্রামের মাইনুল ইসলাম সুমন ও ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের ইটখোলা গ্রামের মামুন মিয়া।

গতকাল সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত বছর ৭ নভেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে মির্জাপুর উপজেলার বাইমাইল এলাকায় অজ্ঞাত একটি লাশ পাওয়া যায়। পরে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ মির্জাপুর থানায় নিয়ে আসে। লাশের পাশে একটি মোবাইল নম্বরসহ চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটের সূত্র ধরেই নিহত ওই ব্যক্তির ছেলে কামরুজ্জামান মির্জাপুর থানায় এসে লাশটি তার বাবার বলে শনাক্ত করেন। তার বাড়ি পাবনা জেলার ঈশ^রদী উপজেলার রূপপুর জিগাতলা মোড়ে। নিহতের ছেলে বাদি হয়ে অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে। তদন্তে জানা যায়, সাভারের হেমায়েতপুরের বাসকারী কাউছার নামের এক ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তাকে গত শুক্রবার হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে, মাইনুল সুমনকে মিরপুর থেকে গত শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের উভয়ের তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে কেরানীগঞ্জ থেকে গত রবিবার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির ওসি শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা ছিনতাই চক্রের সদস্য। কামাল হোসেনকে জোর করে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। কামাল বাধা দিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় তারা।

advertisement
Evaly
advertisement