advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বেজোসের ফোন হ্যাকের অভিযোগ অস্বীকার সৌদি আরবের

অনলাইন ডেস্ক
২২ জানুয়ারি ২০২০ ১৭:৫৮ | আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২০ ১৮:০১
জেফ বেজোস এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোসের মোবাইল ফোন হ্যাক করেছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। গতকাল মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এর একটি প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়।  তবে প্রকাশিত এ সংবাদকে ‘অযৌক্তিক’ বলে যুবরাজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে সৌদি আরব।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস থেকে করা এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জেফ বেজোসের ফোন হ্যাক করার পেছনে সৌদি আরবের হাত রয়েছে- এমন তথ্য অযৌক্তিক। আমরা এ বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি যাতে পুরো ঘটনা প্রকাশিত হয়।’

২০১৮ সালে যুবরাজ মোহাম্মদের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে বেজোসের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে ভাইরাসযুক্ত একটি ভিডিও ফাইল পাঠানো হয়। ওই ভিডিও ফাইলটির মাধ্যমে বেজোসের ফোন হ্যাক করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ‘দ্য গার্ডিয়ান’।      

গার্ডিয়ানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১ মে বেজোস ও সালমানের মধ্যে বার্তা আদান প্রদান শুরু হয়। এরপর এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে। তবে বেজোসের অ্যাকাউন্ট থেকে কোন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তা জানা যায়নি।  তবে এই হ্যাকিংয়ের ঘটনার পরেই মার্কিন ট্যাবলয়েড পত্রিকা ‘দ্য ন্যাশনাল এনকোয়ারার’ বেজোসের বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে। টিভি উপস্থাপিকা লরেন সানচেজের সঙ্গে বেজোসের অন্তরঙ্গ টেক্সট বার্তার ভিত্তিতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে দ্য ন্যাশনাল এনকোয়ারার। 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বেজোস ও ম্যাকেঞ্জির ২৫ বছর সংসারের ইতি ঘটে। তবে মার্কিন ট্যাবলয়েড  অভিযোগ করেন জেফ বেজোস।

বেজোসের নিরাপত্তা পরামর্শক গেভিন ডে বেকার জানান, এনকোয়ারার ওই সম্পর্ক ফাঁস করার আগে সৌদি আরবের সরকারের কাছে বেজোসের ফোনে ঢোকার সুযোগ ছিল। তদন্তকারীরা ও কয়েকজন বিশেষজ্ঞ তদন্ত করার পর এ তথ্য পেয়েছেন।

তবে তিনি তার কথার পক্ষ কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। বেজোসের ফোন হ্যাক করে আমাজন করপোরেট খাতের কোনো স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। আমাজনের কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এনকোয়ারারের মালিকের সঙ্গে সৌদি আরবের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক অনেক ঘনিষ্ঠ।  এছাড়াও সৌদি রাজতন্ত্র নিয়ে ধারাবাহিক সমালোচনার পাশাপাশি সাংবাদিক খাশোগি হত্যায় বেজোসের মালিকানাধীন দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর কারণে বেজোসের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন যুবরাজ। গত বছরে ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার পেছনে যুবরাজের ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা যুক্ত ছিল।

 

advertisement