advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কোটি টাকা আত্মসাৎ : ব্রাক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ২ জনের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক
২২ জানুয়ারি ২০২০ ১৯:৩৩ | আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২০ ১৯:৪০
প্রতীকী ছবি
advertisement

এক কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৫ টাকা কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় ব্র্যাক ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা সুকুমার রায়সহ দুই জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ড পাওয়া অন্যান্য আসামিরা হলেন, মেসাস নাফিসা ট্রেডার্সের মালিক মো. নুর আলম হক প্রামাণিক।

রায়ে দণ্ডিত পলাতক সুকুমারের দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৬৯ লাখ ২ হাজার ২৮৪ দশমিক ৩৮ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।

অন্যদিকে দণ্ডিত উপস্থিত নুর আলম হক প্রামাণিকের তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭০ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।

রায় ঘোষণার সময় নুর আলম হক আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সুকুমার রায় পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন।

২০১৬ সালের ২৪ জুলাই মাসে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি সুকুমার রায় ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রেড-১ অফিসার হিসেবে ব্রাক ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। উক্ত ব্যাংকে তার নিজ নামে একটি হিসাব ছিল। এ ছাড়া অপর আসামি নূর আলম মেসাস নাফিসা ট্রের্ডাসের স্বত্বাধীকারী হিসেবে ২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট ব্রাক ব্যাক সৈয়দপুর শাখায় একটি হিসাব খুলেন।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি ডিডি এবং ১৪ লাখ টাকার অপর ডিডি ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ক্লিয়ারিং হাউজে ইউনিলিভার বাংলাদেশের অনুকুলে প্রদানের জন্য ব্যাংক কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা ও অগ্রনী ব্যাংকের ২৩ লাখ টাকার একটি পি-অর্ডার একই বছল ২১ সেপ্টেম্বর একই প্রতিষ্ঠানের নামে জমা প্রদানের জন্য ব্যাংক কর্মকর্তা জয়দেব মুখার্জি দায়িত্বে ছিলেন। তাদের সিনিয়র সিনিয়র কর্মকর্তা আসামি সুকুমার রায় ইউনিলিভার বাংলাদেশের অনুকুলে উক্ত ডিডি ও পে-অর্ডারের টাকা জমা না করে আসামি নুর আলমের নামের হিসাবে জমা করেন।

অন্যদিকে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৩০ লাখ টাকার একটি ডিডি ইউনিলিভার বাংলাদেশের অনুকূলে একইভাবে জমা না করে আসামি সুকুমারের নিজ হিসাবে জমা করেন। যার মধ্যে একই বছর ২৪ সেপ্টেম্বর আসামি সুকুমার ২৫ লাখ টাকা এবং আসামি নুর আলম একইদিন ৭৫ লাখ টাকা নিজ নিজ হিসাব থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এভাবে বিভিন্ন সময় আসামিরা অবৈধভাবে তাদের হিসাবে জমা করা ১ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৫ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

মামলাটিতে ২০১৭ সালের ২০ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল হক আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছর ৮ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় আদালত দুদকের পক্ষে ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

advertisement