advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

৮২৩৮ ঋণখেলাপি কোম্পানি পাওনা ৯৬৯৮৬ কোটি টাকা

সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৫
advertisement

খেলাপি ঋণের সিংহভাগই বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের কর্তা-ব্যক্তিদের পকেটে। সারাদেশে ব্যাংকের ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছে মোট ৮ হাজার ২৩৮টি কোম্পানি। ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তাদের কাছে ব্যাংকগুলোর পাওনা ৯৬ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আদায় হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি আহসানুল ইসলাম টিটুর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব তথ্য জানান। এ সময় অর্থমন্ত্রী ১০৭ পৃষ্ঠার একটি ঋণখেলাপির বিস্তারিত তালিকা সংসদে উপস্থাপন করেন। তালিকায় ঋণখেলাপি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হলেও ব্যক্তি ঋণখেলাপিদের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, তালিকায় খেলাপি ঋণের শীর্ষ রয়েছে জনতা ব্যাংকের কেলেঙ্কারির জন্য আলোচিত ক্রিসেন্ট গ্রুপ।

ঋণ নিয়ে তা ফেরত না দেওয়ার তালিকায় শীর্ষে নাম আছে ওই গ্রুপের রিমেক্স ফুটওয়্যারের। পরের দুই অবস্থানে আছে ক্রিসেন্ট লেদার ও রুপালি কম্পোজিট। আলোচিত অ্যাননটেক্স গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামও আছে তালিকায়। জনতা ব্যাংক ওই গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় নাম রয়েছে রাইজিং স্টিল, ইলিয়াস ব্রাদার্স, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম, বিলট্রেড, বেনেটেক্স, কম্পিউটার সোর্স, রুবায়া ভেজিটেবল, বাংলালায়ন, ইব্রাহিম টেক্সটাইল, হলমার্ক, সাদ মুসা ফেব্রিক্স, পিপলস লিজিং, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, ভার্গো মিডিয়া, এইচআরসি শিপিং ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের।

এর আগে গতবছরে জুনে শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির নাম প্রকাশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই তালিকায় শীর্ষ খেলাপি ছিল চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানি। বিতর্কিত ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন আলমের মালিকানাধীন ওই গ্রুপের এসএ ওয়েল এবং সামান্নাজ সুপার ওয়েলের নাম এসেছে ৬ ও ৭ নম্বরে।

এমপি টিটুর তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রৈমাসিকের তথ্য অনুযায়ী ২৫টি ব্যাংকের পরিচালকরা নিজ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তাদের গৃহীত ঋণের বকেয়া স্থিতির পরিমাণ ১ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া ব্যাংকের পরিচালকরা নিজ প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য ৫৫টি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। সেখানে তাদের গৃহীত ঋণের উপস্থিতির পরিমাণ ১ লাখ ৭১ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। যা ব্যাংক প্রদত্ত মোট ঋণের ১১.২১ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৮ সাল শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যা দাঁড়ায় ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকায়।

advertisement
Evall
advertisement