advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৭ জানুয়ারি থেকে মূল কাজ
বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৫
advertisement

সনাতন পদ্ধতিতেই রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমসহ রাজউক, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল উপস্থিত ছিল।

ভাঙার দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও কোনো অনিয়ম হয়নি দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবনটি ভাঙতে আমরা পত্রিকায় টেন্ডারের বিজ্ঞাপন দিয়েছি। কিন্তু সর্বোচ্চ দরদাতা তাদের টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অপারগতা প্রকাশ করে। এর পর আমরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতাকে ভবন ভাঙার দায়িত্ব দিয়েছি। তারা আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভবনটি অপসারণ করবে। এ কার্যক্রম দেখভালের জন্য বুয়েট, সেনাবাহিনী, রাজউক ও ফায়ার

সার্ভিস প্রতিনিধিরা থাকবেন। এমনকি নগর ও ইমারত বিশারদদের নিয়েও একটি টিম করা হয়েছে। তার সার্বক্ষণিকভাবে এ কর্মকাণ্ড দেখভাল করবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কারও টাকা বাঁচানোর জন্য শেখ হাসিনা সরকারের কোনো আগ্রহ নেই বরং ব্যবসায়ীরা যাতে বিঘ্ন ছাড়া ব্যবসা করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে এ ভবন ভাঙার বহু আগে প্রস্তুতি থাকার পরও বিজিএমইএকে তাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ভবন ভাঙার কাজ বিজিএমইএ যে প্রক্রিয়ায় করতে চেয়েছিল, তা অনিশ্চিতকাল ধরে চলতে পারত। ফলে আমরা মনে করি, রাষ্ট্রের দুটি টাকা বড় কথা নয়, বড় কথা এ জায়গাটিকে পরিষ্কার করা। আর এ ক্ষেত্রে আমাদের কোনো টাকাও ব্যয় হচ্ছে না। যারা ভবনটি ভাঙছেন, তারাই রাষ্ট্রকে টাকা দিচ্ছে। এটি বিজিএমইএকে বাঁচানোর কোনো বিষয় নয়।’ ভবনটি অপসারণের পর হাতিরঝিলে পানির গতি স্বাভাবিক হবে বলেও মনে করেন রেজাউল করিম।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক বাড়ির পয়োনিষ্কাশন পাইপ গোপনে হাতিরঝিলে সংযোগ দেওয়ার মতো দায়িত্বহীন কাজ করা হয়েছিল। আমরা সব লাইন বন্ধ করেছি। আমরা অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রযুক্তি নিয়ে এসেছি, সেটি ব্যবহার করে পানি প্রতিদিন প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। কোনো দুর্গন্ধ আর আসবে না। এ ছাড়া হাতিরঝিলের সব অবৈধ স্থাপনা সরানো হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ভবনটি ভাঙার মূল কাজ শুরু হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার গ্রুপ ১ কোটি দুই লাখ টাকায় ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করে। সনাতন পদ্ধতিতে এটি ভাঙা হচ্ছে। তবে ভাঙার আগে বিপজ্জনক দ্রব্য ও কাচের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে হবে। ভাঙা বিজিএমইএ ভবনের সব অংশ নেওয়া হবে দোলাইপাড়।

advertisement
Evall
advertisement