advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বরগুনায় কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

বরগুনা ও ধোবাউড়া প্রতিনিধি
২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৫
advertisement

বরগুনার বেতাগীতে ওরস মাহফিল দেখতে যাওয়া এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে তিন যুবক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের মীরাবাড়ি-সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মেয়েটির মা বেতাগী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন বেতাগী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ফেরদৌস আলম। অভিযুক্তরা হলেন- হোসনাবাদ গ্রামের মৃত মোতালেব হাওলাদারের ছেলে সাগর, একই গ্রামের নাঈম হোসেন ও মো. নাঈম।

এদিকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জয়িতা শিল্পী ও সার্কেল এএসপি দীপক পঙ্কজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহম্মদ মোল্লা ও পুলিশ পরিদর্শক চাঁদ মিয়া তদন্তে তাদের সহায়তা করেন।

বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের ওই কিশোরী স্থানীয় জলিশা বাজারে মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকে। তার মা রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তিনি গতকাল জানান, তার মেয়েকে হোসনাবাদ গ্রামের সাগর প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি পার করতে পারলেও অভাবের কারণে তার মেয়ে আর স্কুলে যেতে পারেনি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাজারের পাশে ওরস মাহফিল দেখতে যায় সে। সেখান থেকে তাকে এক প্রকার জোর করে সাগর, নাঈম হোসেন ও মো. নাঈম তাকে মীরাবাড়ির বাগানে নিয়ে যায় এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এ ঘটনায় নারী নির্যাতন আইনে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের পুটিয়ারকান্দা গ্রামের এক তরুণীকে তার প্রেমিক কাউয়াকান্দা গ্রামের আবদুর রাশিদের ছেলে আরিফুল বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কাউয়াকান্দা বিলে নিয়ে যায়। সেখানে আরিফুল, তার বন্ধু রাসেল (২১), ইসলাম (২২) ও নজরুল মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরদিন সকালে বোরো জমিতে পানি দিতে আসা লোকজন তরুণীকে দেখে স্থানীয় মেম্বার জালাল উদ্দিনকে খবর দেয়। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করেন। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় ওই তরুণী প্রাণভয়ে থানায় না এসে নানার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তবে পুলিশ খবর পেয়ে গত ২০ জানুয়ারি তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে ওই তরুণীর মা ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ আসামি ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক চাঁদ মিয়া জানান, রাতভর অভিযান চালিয়ে আসামি ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

advertisement
Evall
advertisement