advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আসন্ন সিটি নির্বাচন ও নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন
২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০৭
advertisement

প্রচার যদি আচরণবিধিসম্মত না হয়, তবে নির্বাচনে শৃঙ্খলা ব্যাহত হবে এবং সে ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখনই নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, অন্যথা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হবে অনেক নাটক, অনেক ধরনা, এমনকি ছাত্র আন্দোলন ও অনশন ধর্মঘটের করুণ অবস্থার পর অবশেষে সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজার দিন থেকে সরে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তারিখ পিছিয়েছে। পরিবর্তিত তারিখ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হওয়ায় পূর্বঘোষিত এসএসসি পরীক্ষা পেছাতে হলো। হঠাৎ করে এই দিন পরিবর্তন করায় পরীক্ষার্থীদের মনোকষ্টের বিষয় অবশ্যই হয়েছে। শুধু পরীক্ষাই নয়, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত প্রতিষ্ঠিত একটি উৎসব বইমেলা পেছাতে হলো, যা প্রথাগতভাবে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করে থাকেন। উপস্থিত থাকেন বিদেশের অনেক মনীষী। বোধ হয় এর আগে নির্বাচনের কারণে এ ধরনের বাধাগ্রস্ত হয়নি। অবশ্য সনাতন ধর্মের পূজাকে কেন্দ্র করে যে অবস্থার উদ্ভব হয়েছিল, সে রকম পরিস্থিতি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে ছিল না। কেন এমন অবস্থায় নির্বাচন কমিশনকে পড়তে হলো, তার গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ রয়েছে বলে আমি মনে করি না।

নির্বাচন কমিশনকে এই তারিখ নিয়ে যে সংশয়ের সৃষ্টি হবে, এমন কথা অনেকেই বলেছেন। এমনকি আমার ইতিপূর্বের একটি লেখা অত্র পত্রিকায় জানুয়ারি ১১, ২০২০-এ প্রকাশিত হয়েছিল (ইভিএম এবং আইন প্রয়োগ সমাচার)। সে লেখার প্রথম স্তবকেই লিখেছিলাম যে, জানুয়ারি ৩০, ২০২০ নিয়ে প্রচুর সংশয় রয়েছে। কারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। এসব ধর্মীয় উৎসব শুধু দিন-তারিখেই নয়, অনুষ্ঠিত হয় তিথি ও লগ্নের ওপরই। যাই যা হয়েছে, তার প্রয়োজন ছিল না যদি কমিশন আরেকটু যত্নবান হতো অথবা যারা স্বশরীরে প্রথমবারের মতো কমিশনের দারস্থ হয়েছিল। বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়াতে দেওয়াটা আমার মতে প্রয়োজন ছিল না। নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যের বিষয়গুলো আদালতের দোরগোড়ায় নিতে দেওয়ার প্রবণতা বাড়লে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও আইনি ক্ষমতা খর্ব হয় বলে আমি মনে করি। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন আমলে নিয়ে আগেই নিষ্পত্তি করতে পারত। আমার ব্যক্তিগত ধারণা ছিল, তারিখ পরিবর্তন করতে হলে এগোনো সম্ভব ছিল হয়তো ২৭ জানুয়ারি ২০২০, যে ক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা এবং অন্যান্য উৎসবের উদ্বোধন পেছাতে হতো না। যাহোক, ‘দের আয়ে দুরস্ত আয়ে’ মানে দেরিতে হলেও ভালো। আশা করি, এ বিষয়টির এখানেই নিষ্পত্তি হয়েছে। হয়তো এ বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে।

আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন যে, নির্বাচন এগোলে আইনের কোনো ব্যত্যয় হবে কিনা? আমি মনে করি না কোনো ব্যত্যয় হয় না, তবে নির্বাচন আইনানুগভাবে মেয়াদ শেষের পর বা আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং ওই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে হয়। প্রচারণার সময় কোনো নির্দিষ্ট করা নেই। অন্যদিকে প্রচারণার সময় সংক্ষিপ্ত রাখা সবদিক থেকে ভালো। প্রচারণার সঙ্গে প্রার্থীর এবং নির্বাচন কমিশনের ব্যয়ের সম্পৃক্তা রয়েছে। তবে প্রচারণার সময়টি নির্বাচন কমিশনে প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত। কারণ ব্যালট পেপার ছাপানো থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ও সেন্টারে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি ইত্যাদির সময়ের প্রয়োজন হয়। যেহেতু দলীয় মার্কায় অথবা অন্যান্য মার্কায় নির্বাচন হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে প্রার্থী চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ব্যালট পেপার ছাপানো হয় না। কাজেই ব্যালট পেপার ছাপানো এবং কেন্দ্র ও বুথভিত্তিক সরবরাহের জন্য তৈরি কিছুটা সময়সাপেক্ষ। ঢাকার দুই করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখেল ওপর। এত ব্যালট ছাপাতে হলে কমপক্ষে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগার কথা এবং জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনভিত্তিক প্রায় ১০ কোটি ব্যালট ছাপাতে আরও সময়ের প্রয়োজন। এসব সময়টুকুই প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত হয়। মোদ্দা কথা, প্রচারণার সময়টি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির সময়। কাজেই প্রচারণার সময় নির্ধারিত নয়Ñ প্রস্তুতির সময়টুকুই প্রচারণার সময়। তবে এবার ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন যেহেতু ইভিএমে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সে ক্ষেত্রে ইভিএমগুলোকে কাস্টমাইজ করার সময় ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতির সময় থেকে অনেক কম লাগার কথা। কাজেই নির্বাচনের তারিখ পেছানোর চেয়ে দুদিন আগে হলে কোনো জটিলতাই হতো বলে মনে হয় না এবং এমন হলে ১ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানগুলো এবং পরীক্ষা পেছাতে হতো না।

আমাদের দেশের প্রায় সব নির্বাচনের আগে এবং পরে কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে বিতর্ক লেগে থাকছে। এমন কোনো নির্বাচন, বিশেষ করে বড় নির্বাচনগুলো নিয়ে বিতর্ক প্রথম থেকেই উত্থাপিত হয়। প্রায় সব বিতর্কের কেন্দ্রে থাকে নির্বাচন কমিশন। এ পর্যন্ত এমন কোনো নির্বাচন কমিশন হয়নি, যা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকেছে। নির্বাচন কমিশন নিয়ে রাজনৈতিক দলের ক্রমান্নয়ের বিতর্কের আবর্তে পরে বেশিরভাগ নির্বাচন কমিশন ক্রমেই জনগণের অনাস্থার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমন নয়, অনাস্থা শুধু রাজনৈতিক কারণেই সৃষ্ট হয় বাংলাদেশের। মোটা দাগে, ১২টি নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, হাতেগোনা কয়েকটি নির্বাচন কমিশন ছাড়া প্রায় সব নির্বাচন কমিশন দারুণভাবে বিতর্কের আবর্তে পড়েছিল। এর বেশিরভাগ অন্তর্দন্দ্বে, কার্যহীনতা, সংবেদনশীলতার অভাব এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নিজেরাই নিজেদের জন্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এবং আস্থা হারিয়েছে। এই পুঞ্জীভূত আস্থাহীনতার কারণে একদিকে নির্বাচন কমিশন যেমন সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। গবেষণায় দেখা যায় যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সরকার দ্বারা গঠিত নির্বাচন কমিশনগুলো শুরু থেকেই বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। সংবিধানে উদ্ধৃত আইন তৈরি এবং তার মধ্য দিয়ে গঠিত না হওয়ার কারণটাই এখন মুখ্য বলে মনে করা হয়।

এবারের নির্বাচন কমিশনও এই আস্থাহীনতার বিতর্ক থেকে বের হতে পারছে না। প্রচুর বিতর্ক হয় বিগত সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা নিয়ে। যদিও নির্বাচন কমিশন এককভাবে একটি এত বড় ধরনের নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন শরিকরা আইন ও বিধি মেনে না চলে। তথাপি দায়দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তায়। আমাদের দেশের নির্বাচন কমিশনকে সচরাচর জনগণের কাছে যেতে এবং আস্থা অর্জনের প্রয়াস নিতে দেখা যায় না। নির্বাচন কমিশন অনেকটা আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। যদিও তেমন হওয়ার কথা থাকলেও মনে রাখা প্রয়োজন যে, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার হলেও আমাদের দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো শক্ত ভিতে দাঁড়াতে পারেনি অথবা রাজনৈতিক দুর্বল সংস্কৃতি এবং বৃহদাংশে গণতান্ত্রিক সমাজের দুর্বলতার কারণে দাঁড়াতে পারছে না।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনও আস্থাহীনতার আবর্ত থেকে বের হতে পারছে না। এ কারণেই এবার কমিশনের ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যেন থামছে না। বিতর্কে জড়িয়ে পড়া অনেকেই হয়তো ইভিএম ভালো করে দেখেনওনি। প্রায় শোনা যায় যে, যখন উন্নত দেশে ইভিএম বাতিল হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশে ইভিএম কেন?

ইভিএম ব্যবস্থা দুই ধরনের। একটি পদ্ধতি, যা সেন্ট্রাল সার্ভার দ্বারা যুক্ত অন্য ইভিএম একক ইউনিট হিসেবে (ঝঃধহফ ধষড়হব) পদ্ধতির, যা ভারতসহ বহু দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশের বর্তমান ইভিএমও একক ইউনিট পদ্ধতির মেশিন, যেগুলো কোনোভাবেই একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত নয়। প্রতিটি বুথের ইভিএম একক ইউনিটের এবং ভোট গণনাও একক ইউনিট হিসেবেই হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বর্তমান ইভিএম উচ্চপ্রযুক্তির, যার দ্বারা প্রত্যেক ভোটার বৈধভাবে শনাক্ত হলেই ভোট দিতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভোট দেওয়া সম্ভব নয়। তবে মেশিন যত উচ্চ কারিগরিসম্পন্ন হোক না কেন, বুথ দখল হলে অথবা বুথ জ্যাম হলে ইভিএম কোনো প্রযুক্তিই কাক্সিক্ষত ফলাফল দেবে না। কাজেই ইভিএম ব্যবহারের সুফল পেতে হলে নির্বাচন কমিশনকে বুথ দখল বা বুথ জ্যাম করার প্রচেষ্টাকে শক্ত হাতে ব্যাহত করতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন হবে নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি, ব্যবস্থাপনা এবং আইনের সঠিক ও কঠিন প্রয়োগ।

বাংলাদেশের ইভিএম মেশিনের সঙ্গে পেপার ট্রেইল অবশ্য লাগানো উচিত, যার মাধ্যমে মেশিনের ফলাফল ক্রস চেক করা যাবে, অন্যথায় কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী আদালতে প্রতিকার চাওয়ার অবস্থায় থাকবে না। বুথ দখল করে ভোট দিলেও নিরীক্ষণ করা সহজ হবে না। বুথ দখল করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভোট দেখানোর অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যায় না। হালের চট্টগ্রাম-৮ এর উপনির্বাচনে ২২ শতাংশ ভোট পড়ার ঘটনা তদন্ত করলেই অনেকটা পরিষ্কার হতো।

আমার দ্বিতীয় উদ্বেগটি হলো প্রার্থীর নাম, মার্কা ইত্যাদি যখন কাস্টমসাইজ এবং প্রোগ্রামিং করা হয়, তখন কারিগরি দলে অংশগ্রহণকারী দলের প্রতিনিধি রাখা। এসবই ইভিএমের ওপর আস্থ তৈরি করার প্রয়াস।

আসন্ন সিটি করপোরেশন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সামনে এক কঠিন পরীক্ষা। ইভিএমের সুফল নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে না পারলে এই উচ্চপ্রযুক্তির ইভিএম নিয়ে বিতর্ক আরও হাওয়া পাবে।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আর মাত্র সপ্তাহখানেক বাকি। প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে, সেই সঙ্গে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং ব্যাপক আচরণবিধি লঙ্ঘন, যা সাধারণ চোখে দৃশ্যমান। কিন্তু এর প্রতিকার তেমন দৃশ্যমান নয়। উদাহরণস্বরূপ প্রতিদিন প্রত্যেক প্রার্থী, মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা দুটি বড় দল মনোনীত, যেভাবে প্রচারণার সময় হাজার হাজার কথিত সমর্থক নিয়ে রীতিমতো মিছিলের আদলে শোডাউন করছেন, তা আচরণবিধির ৭(ক) (খ) সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে। এর কারণে শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘণ্টার ঘণ্টা যানজটে হিমশিম খেতে হচ্ছে নগরবাসীকে। অথচ এ ধরনের অবস্থা যাতে না হয়, সে কারণেই এমন আচরণবিধি তৈরি করা হয়েছিল। এটি শাস্তিযোগ্য লঙ্ঘন হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

এরই মধ্যে একজন মেয়রপ্রার্থীর ওপর প্রতিপক্ষের হামলা, যা মিডিয়ায় পরিষ্কার দেখা গিয়েছে অত্যন্ত গর্হিত কাজ। এ ধরনের বিষয়কে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যায় না। ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন তদন্তের আদেশ দিয়েছেÑ প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন ধারা ৯১ প্রয়োগ করতে পারে এমন হলে নির্বাচন কমিশন নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবে। অন্যথায় এ নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে চলে যাবে।

তথ্যে প্রকাশ যে, এসব শোডাউন বা মিছিলের জন্য বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোক সমাগাম করা হচ্ছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের সমাবেশের জন্য যে অর্থকড়ি ব্যয় হচ্ছে, তার হিসাব হয়তো পাওয়া যাবে না, কারণ নির্বাচনী ব্যয় তদারকি কোনো ব্যবস্থাপনাই করা হয়নি।

অন্যদিকে বিভিন্ন ব্যানারে দেখা যাচ্ছে যে, বিশেষ করে মেয়রপ্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো সমর্থক নিজের নাম ও ছবি দিয়ে ব্যানার শহরের বিভিন্ন স্থানে টানিয়েছেন। এ দৃশ্য উত্তরে অধিক দৃশ্যমান। এ ধরনের প্রচার মোটেই গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত নয়। প্রচার যদি আচরণবিধিসম্মত না হয়, তবে নির্বাচনে শৃঙ্খলা ব্যাহত হবে এবং সে ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখনই নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, অন্যথা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হবে।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন : সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, বর্তমানে অনারারি ফেলো এসআইপিজিএনএসইউ

advertisement
Evall
advertisement