advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০০:৫৪
advertisement

এক দিনের ব্যবধানে ফের সূচকের ঊর্ধ্বগতি ফিরে পেয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। গতকাল বুধবার সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনও। এর আগে টানা তিন কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গত মঙ্গলবার দুই বাজারেই সূচকের পতন হয়। গতকাল শুরুতে দরপতন হলেও সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সূচক। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল সূচক ডিএসইএক্স ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৬টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টির।

সূচকের সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৪০৬ কোটি ৮০ লাখ। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৩১ কোটি ৬২ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে লাফার্জাহোলসিমের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকার। ১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে-প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, এসকে ট্রিমস, এসএস স্টিল, এডিএন টেলিকম এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৩৪ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৪২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩টির, কমেছে ৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির।

নিজস্ব প্রতিবেদক ষ

এক দিনের ব্যবধানে ফের সূচকের ঊর্ধ্বগতি ফিরে পেয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। গতকাল বুধবার সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনও। এর আগে টানা তিন কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গত মঙ্গলবার দুই বাজারেই সূচকের পতন হয়। গতকাল শুরুতে দরপতন হলেও সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সূচক। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল সূচক ডিএসইএক্স ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৬টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টির।

সূচকের সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৪০৬ কোটি ৮০ লাখ। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৩১ কোটি ৬২ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে লাফার্জাহোলসিমের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকার। ১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে-প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, এসকে ট্রিমস, এসএস স্টিল, এডিএন টেলিকম এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৩৪ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৪২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩টির, কমেছে ৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির।

পুঁজিবাজারে আসতে ৯ বীমা কোম্পানির আবেদন

তালিকাভুক্ত বীমা কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসার জন্য অর্থমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ৯ বীমা কোম্পানি আবেদন করেছে। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (আইডিআরএ) শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। গতকাল বুধবার রাজধানীর মতিঝিল দিলকুশা আইডিআরএ কার্যালয়ে বীমা মেলা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। তবে আবেদনকারী কোম্পানিগুলোর নাম জানাননি তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, অর্থমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পুঁজিবাজারে আসতে অতালিকাভুক্ত বীমা কোম্পানিগুলোকে নির্দেশনা দেই। এরপর ৯টি বীমা কোম্পানি এ পর্যন্ত আবেদন করেছে। আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি। তবে আরও ১৮ কোম্পানি এখন পর্যন্ত আবেদন করেনি। চলতি মাসেই আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসব। কেন আবেদন করেনি তা জানতে চাওয়া হবে বৈঠকে।

বীমা মেলা সম্পর্কে আইডিআরএ চেয়ারম্যান জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমার সচেতনতা বাড়াতে এবার খুলনায় বীমা মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি দুই দিনব্যাপী খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলার উদ্বোধন করবেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান। ২৫ জানুয়ারি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আবদুুল খালেক। এবার মেলায় ৭৮টি বীমা কোম্পানি অংশ নেবে। এ ছাড়াও বীমা খাত উন্নয়নে বিভিন্ন সভা সেমিনারের পাশাপাশি মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া মুজিববর্ষ উপলক্ষে বছরব্যাপী গ্রাহক সেবায় বীমা পক্ষ পালন করা হবে। মুজিববর্ষকে বীমাবর্ষ হিসেবেও ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

২০১৮ সালে জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলো মোট ছয় হাজার ৬১১ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে উল্লেখ করে আইডিআরএ চেয়ারম্যান জানান, ২০১৮ সালে নতুন করে এক কোটি লোক বীমার আওতায় এসেছে। এর ফলে বর্তমানে প্রায় দুই কোটি লোক বীমার আওতায় রয়েছে। এই সময়ে বীমা খাতে প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে দেশের অর্থনীতির আকার হিসেবে প্রবৃদ্ধির এই হার যথেষ্ট নয়। বীমার প্রিমিয়াম আয় বাড়াতে নতুন পণ্য আনার জন্য কোম্পানিগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইডিআরএর সদস্য গোকুল চাঁদ দাস, বোরহানউদ্দিন মোশারফ হোসেন, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বিএম ইউসুফ আলী প্রমুখ।

advertisement
Evall
advertisement