advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আইসিজের আদেশ মানতে হবে মিয়ানমারকে : জাতিসংঘ দূত

কুটনৈতিক প্রতিবেদক
২৪ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০৬
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াং হি লি। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াং হি লি বলেছেন, রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ ও তাদের সুরক্ষায় আইসিজে যে আদেশ দিয়েছেন তা মিয়ানমারকে মানতে হবে। তা ছাড়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিচারের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় নতুন একটি আন্তর্জাতিক অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের তিনি পরামর্শ দেবেন বলেও জানিয়েছেন।

লি বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে আছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে তার সফর উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয়। সেখানেই লি এসব কথা বলেন। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে আগামী মার্চে সময় শেষ হচ্ছে ইয়াং হি লির। ফলে দায়িত্ব ছাড়ার আগে মার্চেই তিনি মানবাধিকার কাউন্সিলে তার প্রতিবেদন জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন। বিশেষ দূত হিসেবে এটিই ইয়াং হি লির শেষ আন্তর্জাতিক সফর।

মিয়ানমারকে রক্ষা করায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করেন, এমন প্রশ্নে লি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে চীন ও রাশিয়ার ভ‚মিকা আসলেই দুঃখজনক। আমি এটি আগেও বেশ কয়েকবার বলেছি, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া ওই দুই দেশের জন্য লজ্জাজনক। আমাদের কাছে সব প্রমাণ (গণহত্যার) রয়েছে। একবার কক্সবাজার এসে দেখে যান, এগুলো সাজানো মিথ্যা সংবাদ নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি বিশেষ করে চীনের কাছে, কারণ বিশ্বের অন্যতম নেতা হওয়ার প্রচেষ্টায় রয়েছে তারা। কিন্তু মানবাধিকারকে সম্মান করা ছাড়া আপনি কখনই বিশ্বনেতা হতে পারবেন না। মানবাধিকারকে সম্মান করে আপনার বিচার ও জবাবদিহিতা চাইতে হবে।’

আপনার সময়কালে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের সরকারের মধ্যে কোনো ইতিবাচক মনোভাব দেখেছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে লি বলেন, ‘মিয়ানমারের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ হয়নি; ফলে তাদের মনোভাব আমার পক্ষে বোঝা কঠিন। তাদের হয়তো ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে, তবে এ বিষয়ে আমি অবগত নই।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বৈশ্বিকভাবে আর কী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, এ প্রশ্নের উত্তরে জাতিসংঘ দূত বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের ইস্যুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর ক্রমাগত চাপ বজায় রাখতে হবে। ইস্যুটি আইসিসিতে না নেওয়ার কারণে নিরাপত্তা পরিষদ একে তাদের বাধ্যবাধকতা ও দায়িত্ব মনে করছে না। ফলে এ ক্ষেত্রে আরও কিছু করার রয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো শুধু মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল করার জন্য আমি চাপ দিয়ে আসছি।’

advertisement
Evaly
advertisement