advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দেশটা কারও পারিবারিক সম্পত্তি নয় : ইশরাক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জানুয়ারি ২০২০ ০৮:৩২ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ ১০:৪৫
advertisement

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তার ফসল ঘরে তুলতে সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। কাউকে ভয় করবেন না। কোনো উসকানিতেও পা দেবেন না। এ দেশটা কারও পারিবারিক সম্পত্তি নয়। আমিও আপনাদের সঙ্গে মাঠে থাকব।’ গতকাল শনিবার বংশালের রায়সাহেব বাজার মোড়ে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

পথসভা শেষে বিকালের দিকে সেখান থেকে ৩৬ নং ওয়ার্ডের বাগডাসা লেন সুইপার কলোনি, তাঁতীবাজার, কসাইটুলি এলাকায় প্রচার চালান ইশরাক। পরে ৩৫ নং ও ২৭ নং ওয়ার্ডে প্রচার ও গণসংযোগ করেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এদিনের প্রচার শেষ করেন তিনি। গণসংযোগে তার সঙ্গে ছিলেন ২০-দলীয় জোটের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করিম বাদরু, গোলাম মাওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আবু তাহের প্রমুখ।

গণসংযোগকালে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘এ সরকার কথায় কথায় উন্নয়নের বুলি আওড়াচ্ছে। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে কোনো উন্নয়ন, নির্দিষ্ট কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে পাইনি। অন্যদিকে আমার বাবা প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা মেয়র থাকাবস্থায় বলতেনÑ ঢাকা শহরের জন্য ১০০ বছরের একটা পরিকল্পনা দরকার। আমি তার পথ ধরেই এগোতে চাই। দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর এটা বিএনপির নেতৃত্বেই সম্ভব।’

পথসভায় বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনকে আমরা অনেক অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনো প্রতিকার পাইনি। তবে তারা কী করল না করল, এগুলো নিয়ে আমি এখন আর মাথা ঘামাচ্ছি না। শুধু অনুরোধ করতে চাই, সাংবিধানিকভাবে তাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছেÑ সেটা সুষ্ঠুভাবে পালন করে জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেবেন।’

সকালে গোপীবাগের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইশরাক বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি উনি (আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস) একজন সজ্জন ব্যক্তি। ওনার প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, নির্বাচনে কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার করবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর পর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটে ফল যা হবে আমরা তা মেনে নেব। কিন্তু এতে কারচুপি হলে জনগণ কোনোভাবেই সেটা মেনে নেবে না।’

advertisement