advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাবির ৬৭ জন শিক্ষার্থীকে স্থায়ী ও ২২ জনকে সাময়িক বহিষ্কার

ঢাবি প্রতিবেদক
২৮ জানুয়ারি ২০২০ ২০:৫৮ | আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৮:৩০
advertisement

ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তির জন্য ৬৩ জন এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক দ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে চারজন শিক্ষার্থীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সন্ধায় ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ছাড়া সভায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও নয়জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তাদেরকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, এই মর্মে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদেরকে ইতিপূর্বে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশক্রমে তাদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে গত ২৫ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে সংঘটিত ঘটনায় দুজন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

advertisement