advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলা, ইউএনও’র গাড়ি ভাঙচুর

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
২৯ জানুয়ারি ২০২০ ২১:০০ | আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০০
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতে অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

এ হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, উপজেলা ত্রাণ শাখার অফিস সহায়ক ইলিয়াস হোসেন, উপজেলা তথ্য অফিসের অফিস সহায়ক ফরিদ মিয়া, ইউএনও’র গাড়িচালক এনামুল হক ও নৈশপ্রহরী শাহ আলম। তাদের মধ্যে ফরিদকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই সরকারি কাজে বাধা, মারধর ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ঘিওরের ইউএনও আইরিন আক্তারের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার উত্তর তরা এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত জানতে পারেন, কেল্লা এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এরপর বিকেল ৫টার দিকে সেখানে গিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মো. শরিফ, খোরশেদ আলম, মো. টুটুল, মোহাম্মদ আলীসহ ৫০ থেকে ৫৫ জন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলা করেন। এতে উপজেলা প্রশাসনের ওই চার কর্মচারী আহত হন। এ সময় ইউএনও’র গাড়ি ভাঙচুর এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

ইউএনও আইরিন আক্তার হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কালীগঙ্গা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। ভূক্তভোগী এলাকাবাসী এ বিষয়ে অভিযোগও করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্প পরিদর্শনের জন্য তিনি বানিয়াজুরী ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় যান। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে মুঠোফোনে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের বিষয়টি জানালে তিনি পাশের কেল্লা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় হামলা হয়। 

ওই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নৈশপ্রহরী শাহ আলম বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৫৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আসামিদের প্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

advertisement