advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্থলবন্দরগুলোয় স্ক্যানার ছাড়াই চলছে যাত্রীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা

আমাদের সময় ডেস্ক
৩০ জানুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ ০৯:২৯
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের বিমানবন্দরগুলোর পাশাপাশি সতর্কাবস্থা চলছে স্থলবন্দরগুলোতেও। বিশেষ করে ভারত ও নেপালে করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ায় সীমান্তবর্তী স্থলবন্দরগুলোয় সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধার মতো গুরুত্বপূর্ণ আরও বেশ কয়েকটি স্থলবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার না থাকায় মেন্যুয়াল পদ্ধতিতেই যাত্রীদের পরীক্ষা করতে হচ্ছে মেডিক্যাল টিমের। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

তেঁতুলিয়া : পঞ্চদেশীয় স্থলবন্দর বলে পরিচিত বাংলাবান্ধাতে করোনা ভাইরাসের সতর্কতার পাশাপাশি বসানো হয়েছে বিশেষ মেডিক্যাল টিম। বন্দরটি দিয়ে নেপাল, ভুটান ও ভারত থেকে আসা যাত্রীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, সে বিষয়ে গত মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করেছে মেডিক্যাল টিম। তবে থার্মাল স্ক্যানার না থাকায় শুধু থার্মোমিটার দিয়েই যাত্রীদের অতিরিক্ত জ্বর পরীক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুর রহমান জানান, মেডিক্যাল টিমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার জহিরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্য সহকারী শারমিন আক্তার কাজ করছেন। তারা চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি, নেপালি, ভুটান ও ভারতীয় কোনো নাগরিক সম্প্রতি চীন ভ্রমণ করেছেন কিনা, সেটি শনাক্ত করছেন। যদি এমন কোনো যাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়, তা হলে তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। ভাইরাস শনাক্ত করতে প্রয়োজনে পাঠানো হবে ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর)। আমরা এ ভাইরাস নিয়ে সতর্ক রয়েছি। দর্শনীয় স্থানে ব্যানার লাগানো হয়েছে।

হিলি : দিনাজপুরের হিলি চেকপোস্টে করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্থানীয় হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিক্যাল টিম বসানো হয়েছে। তবে সেখানেও থার্মাল স্ক্যানার না থাকায় মেন্যুয়ালি যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। হাকিমপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নাজমুস সাইদ বলেন, ভারতীয় অথবা বাংলাদেশি যেসব যাত্রী দেশে প্রবেশ করছেন, মেডিক্যাল টিমটি তাদের প্রাথমিকভাবে শ^াসতন্ত্রের রোগ, জ¦রের সঙ্গে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ইত্যাদি পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

নালিতাবাড়ী : শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা যাচাই-বাছাইয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট দুটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বলে কেউ শনাক্ত হলে তার চিকিৎসায় জেলা সদর হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকালে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

 

advertisement
Evaly
advertisement