advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশ্বকাপ সেরার ট্রফি ভেঙে দুই টুকরা জসওয়ালের

অনলাইন ডেস্ক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:২৩ | আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:২৮
টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার নিচ্ছেন জশস্বী জসওয়াল। ফাইল ছবি
advertisement

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের স্বপ্নভঙ্গ করে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশের যুবারা। চ্যাম্পিয়ন ট্রফি স্পর্শ না করতে পারলেও টুর্নামেন্ট সেরার ট্রফি হাতে নিয়ে কিছুটা দুঃখ ঘুচেছিল হয়তো ভারতের ওপেনার জশস্বী জসওয়ালের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ এর খবরে বলা হয়, বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গের পর এবার সেই ট্রফিটিও ভেঙে দু টুকরো হলো। বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে দেশে ফিরেই তিনি আবিষ্কার করেন তার ট্রফিটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে। কীভাবে ভেঙে গেছে, সেটা তিনি নিজেও জানেন না। তবে ট্রফির থেকেও ১৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বেশি চিন্তিত তার পারফরমেন্স নিয়ে।

জসওয়ালের কোচ জাওলা সিং দাবি করেন ট্রফি নিয়ে নাকি তার কখনোই এত বেশি চিন্তা নেই। তিনি বলেন,‘এবারই প্রথম নয়! সে ট্রফি নিয়ে খুব একটা ভাবে না, সে রান নিয়েই বেশি ভাবে।’

বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে যখন ভারতের ব্যাটসম্যানরা নাকানি-চুবানি খাচ্ছিলেন, তখন এক প্রান্ত হারকিউলিসের মতো আগলে রেখেছিলেন জসওয়াল। ফাইনালে তার করা ৮৮ রানের ওপর ভর করেই ১৭৭ রান সংগ্রহ করে ভারত। এ দিন তিনি ছাড়া দুদলের আর কেউই অর্ধশতকের দেখা পাননি।

শুধু তাই নয় টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইক রেট সবই তার দখলে। যদিও শেষ অবধি হাসতে পারেননি বিজয়ীর হাসি। বিশ্বকাপের ছয় ম্যাচ খেলে জসওয়াল যথাক্রমে রান করেন ৮৮, ১০৫*, ৬২, ৫৭*, ২৯*,৫৯। গড় ১৩৩.৩৩। 

জসওয়াল এখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার অপেক্ষায় আছেন। ওপেনার হিসেবে রাজস্থান রয়্যালস তাকে ২৪ লাখ রুপিতে কিনে নিয়েছে।

পরবর্তী ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করার প্রসঙ্গে জসওয়াল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কেবল বয়স-গ্রুপের টুর্নামেন্ট খেলেছি। এখন যেহেতু আমি বড়দের সঙ্গে খেলতে যাচ্ছি আমি জানি আমার পরিশ্রম দ্বিগুণ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার লড়াই বিশ্বের সঙ্গে নয়। আমার নিজের সঙ্গে। আমার একমাত্র খারাপ অভ্যাসটি হলো কোল্ড ড্রিঙ্কস, আমি এখনই এটি ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।  অনেক বেশি চিনিI আমাকে আরও ফিট হতে হবে। আমি মেডিটেশন করি, আমি ফিটনেসের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করেছি। যেহেতু এটাই সফলতার মূল চাবিকাঠি।’

advertisement