advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চসিকে ভোট ২৯ মার্চ

সব কেন্দ্রে ইভিএম, বগুড়া ও যশোর উপনির্বাচন ব্যালটে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৪৭
advertisement

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সিটির সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে)। একই দিনে বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই আসনে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ সকাল ৮টার পরিবর্তে ৯টা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকলি ৫টা পর্যন্ত চলবে।

গতকাল রবিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর। তিনি জানান, মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ মার্চ, আপিল ২ থেকে ৪ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ মার্চ।

ইসি সচিব বলেন, সকালে ভোটাররা ঘুম থেকে ওঠেন না, তাই ৮টার পরিবর্তে ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু করে ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। সকালে ভোট হলে ভোটার উপস্থিতি কম দেখি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়ে। এ জন্য কমিশন এটা ৮টা থেকে ৯টা করেছে। ভোটাররা কাদের দোষে ভোটকেন্দ্রে যাননিÑ এমন এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যারা যাননি এটা তাদের জিজ্ঞেস করেন। তারাই ভালো বলতে পারবেন।

ইভিএমে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তাকারী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এজেন্টরা ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষে অবস্থান করেছেন। এটা প্রতিরোধে এবার কী ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছেÑ জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ধরনের কাজ করার সুযোগ নেই। নির্বাচন করা একক কারও দায়িত্ব নয়। এর দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, সমর্থক, ভোটার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবার। সবাই যদি যার যার দায়িত্ব পালন করে, তা হলে এই ধরনের ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দায়টা কার ওপর পড়বেÑ এমন প্রশ্নে ইসি

সচিব বলেন, যদি সেখানে প্রত্যেক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট থাকে, তা হলে সেখানে কোনো সুযোগ থাকবে না। কমিশনের পক্ষ থেকে যেটা করা সেটা হলো- পোলিং অফিসার দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য রাখা, প্রিসাইডিং অফিসার রাখা। কিন্তু যারা নির্বাচন করবেন তারা যেন তাদের পোলিং এজেন্ট দেন।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে সব দলই অংশ নেবেÑ এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে সচিব বলেন, আমরা সব সময় শতভাগ আশাবাদী। আশা করতে তো সমস্যা নেই। আমরা তো আমাদের দিক থেকে কোনো কিছু কম রাখি না। সচিব আরও বলেন, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ভোট করার জন্য যা যা দরকার কমিশন তা করবে। সব ভোটারকে বলব নির্ভয়ে, নিশ্চিতে আপনার যে অধিকার রয়েছে তা প্রয়োগ করবেন।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম সিটিতে মোট ওয়ার্ড ৪১টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৪টি, মোট ভোটার সংখ্যা সম্ভাব্য ১৯ লাখ ২ হাজার ৮১১।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল সর্বশেষ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন মেয়র নির্বাচিত হন। মেয়র নাছির উদ্দীন ও ৪১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সভা করেছেন ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে বলা আছে, নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সভার পাঁচ বছর মেয়াদ পূরণের দিন থেকে ১৮০ দিন আগে পর্যন্ত যে কোনো দিন নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান।

বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন

বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনও আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম সিটি এবং এই দুই আসনের তফসিল একই রাখা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। এ ছাড়া ১৮ জানুয়ারি বগুড়া-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুত আসনটি শূন্য হয়। বগুড়া ও যশোর উপনির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের।

advertisement
Evall
advertisement