advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা
সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় সঠিক মূল্যায়ন হবে না

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪১
আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪১
advertisement

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বাস্তবায়নের বেশকিছু সমস্যা রয়েছে। বাইরের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। কিন্তু সেখানে সমন্বিত পরীক্ষা শেষে নিজস্ব কিছু লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষাও নেওয়া হয়। সেখানে কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে। কিন্তু এখানে স্থানীয় প্রভাব-প্রতিপত্তির বিষযটি চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সঠিক মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হবে।
গতকাল ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবনা নিয়ে আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এ আলোচনার আয়োজন করে।
ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনায় বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশত শিক্ষার্থী অংশ নেন।
রুশাদ ফরিদী বলেন, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তাবকারীদের এ ব্যাপারে কোনো চিন্তা নেই। রাজনৈতিক বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এবং ওপর মহলকে খুশি করতে তারা এসব অযৌক্তিক নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন। এর বিরুদ্ধে ছাত্র-শিক্ষক একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণত পাস করে ১০-১২ শতাংশ। এতে সব বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা শিক্ষার্থী খুঁজে পাবে না। ফলে তাদের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী নিতে হবে। অথবা প্রশ্নের মান কমিয়ে অধিক শিক্ষার্থীকে পাস করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। ফলে সমস্যা কমানোর পরিবর্তে আরও বাড়বে।
আখতার হোসেন বলেন, ইউজিসি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন করবে- সেটা পরিষ্কার করেনি। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ভোগান্তি কমানোর জন্য সমম্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিলে ভবিষ্যতে তা আরও বেশি সমস্যা সৃষ্টি করবে- এ আশঙ্কা থাকতে পারে।

advertisement
Evall
advertisement