advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অস্ত্র-মাদকসহ গ্রেপ্তার পুলিশের সেই এসআই রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:১৫ | আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:৩১
advertisement

রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল জলিল মাতব্বরের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া অস্ত্র আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দারুস সালাম থানার এসআই নজরুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

এদিকে উদ্ধার হওয়া মাদক আইনের অপর এক মামলায় এসআই নজরুল আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন, যার শুনানি হবে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি।

মামলায় বলা হয়, এসআই আবদুল জলিল মাতব্বর তার বিভিন্ন জিনিসপত্র কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে পাঠানোর জন্য বুক করেছিলেন। বুক করা একটি ফাইল কেবিনেট ও ট্রাঙ্ক দারুস সালামে কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে থাকার সময় তা থেকে মাদকের গন্ধ ছড়ালে কুরিয়ার সার্ভিসসের কর্মচারীরা পুলিশকে সংবাদ দেয়।

এরপর মামলার বাদী পুলিশ পরির্দশক মো. দুলাল হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফাইল কেবিনেট ও ট্রাঙ্ক খুলে তা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে।

অস্ত্রের মধ্যে একটি পিস্তল, ১১টি পিস্তলের গুলি, একটি খেলনা পিস্তল, ১০টি চয়না রাইফলের গুলি, রাইফেলের ৮টি গুলি, গুলির খোসা ১৩টি, শর্টগানের কার্তুজ ৪০টি ও ২০টি শর্টগানের ফায়ারকরা কার্তুজের খোসা পাওয়া যায়।

অলঙ্কারের মধ্যে ৩৬.৩০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি সিতা হার, ১৩.৩৬ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি গলার চিক, ৬.৩৯ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি ব্রেসলেট, ১০.৯০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি কানের জাপটা, ১১.৮৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি কানের ঝুমকা, দুটি স্বর্ণের নাক ফুল, রুপার দুটি গলার চেন ও রুপার একটি নুপুর পাওয়া যায়।

এ ছাড়া মাদকের মধ্যে ৫ হাজার ২৮৯ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা, ৪০.৭৫ গ্রাম হেরোইন ও ৯ ক্যান বিয়ারসহ ৬৩ প্রকারের আলামত জব্দ করেন।

প্রাথমিক জানা যায়, অনুসন্ধানে জব্দ করা মালামালের মালিক এসআই আবদুল জলিল মাতব্বর। এরপর আবদুল জলিলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দারুস সালাম থানায় আসেন এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি, মাদক ও অন্যান্য মালামাল নিজের বলে স্বীকার করেন।

ওই এসএস জানান, গত ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভ্যানে করে জব্দকৃত মালামাল নারায়নগঞ্জ থেকে গোপালগঞ্জ পাঠানোর জন্য সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে নিয়ে আসেন এবং নিজ নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে বুকিং করেন।

পরে আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়।

মামলায় বলা হয়, উদ্ধার হওয়া মাদক ও অস্ত্র বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ থেকে গোপালগঞ্জে পাঠানোর জন্য বুকিং করেছিল। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ ডিবি থেকে তিনি গোপালগঞ্জ জেলায় বদলি হন।

advertisement
Evall
advertisement