advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জনস্রোত গ্রন্থমেলায় স্মৃতিপটে একুশ

চপল মাহমুদ
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:৫১
advertisement

প্রতিবছরই একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের পরবর্তী ঠিকানা হয়ে ওঠে অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণ। একুশের বীরত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মৃতিপটে ধারণ করে বইয়ের সঙ্গে যেন সময় কাটাতে চান তারা। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবারও প্রভাতফেরির মাধ্যমে শহীদ মিনারে ফুল দিয়েই জনস্রোত ধাবিত হয়েছিল গ্রন্থমেলার দিকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এদিন গ্রন্থমেলায় লেগেছিল একুশের ছোঁয়া। তার ওপর এদিন মেলায় শিশুপ্রহর থাকায় শিশু-কিশোররাও আনন্দ করেছে চুটিয়ে।

এদিন মেলায় আসা বেশিরভাগ বইপ্রেমী-দর্শনার্থীদের সাজে ছিল একুশের ছাপ। মেয়েরা শাড়ি ও ছেলেরা

সাদা-কালো পাঞ্জাবি, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই সংবলিত টি-শার্ট পরে এসেছিলেন। আবার অনেকে ভাষাশহীদদের প্রতিকৃতি আঁকিয়েছেন নিজ জামায়। অনেকের মাথায় ছিল একুশের ক্যাপ, ফিতা, গালে ও কপালে বর্ণমালার ছাপ।

একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে এদিন মেলা শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে। সকাল থেকেই মেলার উভয় প্রাঙ্গণ বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিল উপচেপড়া ভিড়। ফলে বেচাকেনায় সরগরম হয়ে ওঠে মেলা। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল শিশুপ্রহর। এ দুই ঘণ্টায় শিশুচত্বরে শিশুদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষ করার মতো। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে মানুষের ঢল। বিকালের দিকে মেলায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। সন্ধ্যার পর দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। এক পর্যায়ে মানুষের এই ভিড় ছড়িয়ে পড়ে টিএসসি, শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

এ দিনের বেচাকেনায়ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এবার মেলা উদ্বোধন হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে এদিন, যা মেলায় বই বিক্রিতে রেকর্ডও সৃষ্টি করতে পারে। এদিন নতুন বই এসেছে ৫০৮টি। বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত মেলায় নতুন বই প্রকাশ হয়েছে ৩ হাজার ২৪২টি।

এদিকে একুশ উদযাপনের অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ৭টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। বিকাল ৪টায় একই মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় অমর একুশে বক্তৃতা। এতে ‘বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গ’ শীর্ষক বক্তৃতা করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। পরে ছিল কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

advertisement
Evall
advertisement