advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার পুলিশের এসআই ফের রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:৪০ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:৪০
advertisement

রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের মাদক ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল জলিল মাতব্বরের ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার উদ্ধার হওয়া মাদক আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দারুস সালাম থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

এর আগে এদিন অস্ত্র আইনের মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয। ওই মামলায় পুনরায় রিমান্ডের আবেদন না থাকায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

এরও আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলায় বলা হয়, দারুস সালাম থানাধীন ৪ নম্বর দক্ষিণ কল্যানপুরস্থ সুন্দরবন কুড়িয়ার সার্ভিস অফিসের মূল ভবনের পশ্চিম-দক্ষিণ কোনায় মালামাল রাখার ফাঁকা জায়গায় গোপালগঞ্জ পাঠানোর উদ্দেশে বুকিং হওয়া একটি ফাইল কেবিন ও ট্রাঙ্ক হতে মদের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে মর্মে কুরিয়ার সার্ভিসটির কর্মচারীরা পুলিশকে সংবাদ দেয়। এরপর মামলার বাদী পুলিশ পরির্দশক মো. দুলাল হোসেনসহ সঙ্গীয় অফিসারা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা আড়াইটার দিকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফাইল কেবিনেটের চারটি ড্রয়ার এবং একটি ট্রাঙ্ক থেকে একটি পিস্তল, ১১টি পিস্তলের গুলি, একটি খেলনা পিস্তল, চয়না রাইফলের গুলি ১০টি, রাইফেলের ৮টি, গুলির খোসা ১৩টি, শর্টগানের কার্তুজ ৪০টি ও ২০টি শর্টগানের ফায়ারকরা কার্তুজের খোসা, ৩৬ দশমিক ৩০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি সিতা হার, ১৩ দশমিক ৩৬ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি গলার চিক, ৬ দশমিক ৩৯ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি ব্রেসলেট, ১০ দশমিক ৯০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি কানের জাপটা, ১১ দশমিক ৮৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের একটি কানের ঝুমকা, দুইটি স্বর্ণের নাক ফুল, রুপার দ্ইুটি গলার চেইন, রুপার একটি পায়ের নুরুর এবং মাদক ৫ হাজার ২৮৯ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাজা, ৪০ দশমিক ৭৫ গ্রাম হেরোইন ও ৯ ক্যান বিয়ারসহ ৬৩ প্রকারের আলামত জব্দ করেন। এরপর প্রাথমিক অনুসন্ধানে জব্দকৃত মালামালের মালিক এসআই আব্দুল জলিল মাতব্বর বলে জানতে পারেন। এরপর আব্দুল জলিল মাতব্বরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সে ফাইল কেবিনেট ও ট্রাঙ্ক নিজের বলে দাবি করেন এবং এক পর্যায়ে সে দারুস সালাম থানায় আসেন। এরপর তাকে উদ্ধার অস্ত্র, গুলি, মাদক ও অন্যান্য মালামাল নিজের বলে স্বীকার করেন। সে জানায় যে, গত গত ফেব্রুয়ারি সাড়ে ১২টার দিকে ভ্যানযোগে জব্দকৃত মালামাল নারায়নগঞ্জ হতে গোপালগঞ্জ পাঠানোর জন্য সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে নিয়ে আসেন এবং নিজ নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে বুকিং করেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ওই ঘটনায় পুলিশ পরির্দশক মো. দুলাল হোসেন অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, উদ্ধার হওয়া মাদক ও অস্ত্র আসামি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ হতে গোপালগঞ্জে পাঠানোর জন্য বুকিং করেছিল। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, সম্প্রতি নারায়নগঞ্জ ডিবি হতে সে গোপালগঞ্জ জেলায় বদলি হয়ে যোগদান করেছেন।

advertisement
Evall
advertisement