advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জিসানের সহযোগী শাকিল অস্ত্র মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:০৩ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:০৩
শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদের সহযোগী মাজহারুল ইসলাম শাকিল ওরফে শাকিল মাজহার। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ ওরফে মন্টির অন্যতম সহযোগী মো. মাজহারুল ইসলাম শাকিল ওরফে শাকিল মাজহারের (৩৫) অস্ত্র মামলায় ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. শাহিনুর রহমান শুনানি শেষে এ রিমান্ডে আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মাদপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোর্শেদ আলম এ আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত শনিবার ভোর ৫টার দিকে র‌্যাব-২ মোহাম্মাদপুর থানাধীন বাসবাড়ী এলাকার ৮২৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের শাহাবুদ্দিন কনফেকশনারীর সামনে বছিলা থেকে ধানমন্ডি জিগাতলাগামী রাস্তায় চেকপোস্টে যানবহন তল্লাশিকালে এক সিএনজির যাত্রী চেকপোস্টের সামনে থেকে সিএনজি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টাকালে আটক হয়। এরপর সাক্ষীদের সামনে তার দেহতল্লাশি করে তার পরিহিত ট্রাউজারের কোমরে পেছনে গোজা ম্যাগাজিন সংযুক্ত ৬ রাউন্ড গুলিসহ দুটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল পাওয়া যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে এজাহারে উল্লেখিত তার নাম ঠিকানা প্রকাশ করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, স দীর্ঘদিন ধরেৎ শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের পক্ষে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত অপরাধ সংঘঠিত করে আসছে। সে আরও জানায়, সহযোগিতায় বাংলাদেশে তার সস্ত্রাসী কার্যক্রম নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে ও আন্ডারওয়াল্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র হেফাজতে রেখেছিল। তাই তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত আছে এবং তার আর কি উদ্দেশ্য ছিল তা জানার জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট হয়দার আলী হাওলাদার শুনানিকালে রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনের শুনানিকালে এক প্রশ্নের জবাবে শাকিল জানায়, সে দুবাইতে জিসানের কোম্পানিতে কাজ করত, এটা ঠিক। এক মাস আগে দেশে এসেছে। সে কোনো খারাপ কাজে যুক্ত নয়।

এদিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের দাবি, টানা ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে অস্থিরতার সুযোগে দুবাই থেকে শাকিল আসে। শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে মোবাইলে তার কথোপকথনের বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সে সন্ত্রাসী জিসানের পক্ষে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করে আসছে। ২০১৫ সালে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার সঙ্গে রেলওয়ের টেন্ডার নিয়ে বিরোধে জড়ায় শাকিল। ২০১৬ সালের জুনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসম্পাদক রাজিব হত্যার এজাহারে নাম আসায় চীনে চলে যায়। ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশটিতে কার্গো সার্ভিসের কাজ করে ২০১৮ সালে দুবাই যায়। সেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে বিশ^স্ত হয়ে ওঠে সে। পরবর্তীতে লেবার জোগাড়ের দালালি শুরু করে। একপর্যায়ে জিসান তার সব ব্যবসা দেখার দায়িত্ব দেয়। তারা একই আবাসিক ভবনে থাকত। সেখান থেকেই বিভিন্ন সহযোগীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। চাঁদাবাজির জন্য টার্গেট করা হতো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে। টার্গেট করে জিসানের নামে হুমকি পাঠানো হতো শাকিলের মোবাইল নম্বর থেকে।

advertisement
Evall
advertisement