advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চাচাতো ভাইয়ের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী!

দেবিদ্বার প্রতিনিধি
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:০৮ | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:০৮
ধর্ষণে অভিযুক্ত লিটন
advertisement

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় চাচার বাড়িতে পড়তে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণে ১৬ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সঠিক বিচার না পেয়ে কুমিল্লার দেবিদ্বার থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা।  

গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে করা ওই মামলায় আসামি করা হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর চাচাতো ভাই মো. লিটন মিয়াকে (২৩)। পরে দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রবিউল ইসলাম অভিযান চালিয়ে লিটনকে গ্রেপ্তার করেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন লিটন। পরে আজ সোমবার দুপরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়।  মো. লিটন সুবিল গ্রামের ফকির বাড়ির আবদুল মান্নান মিয়ার ছেলে।  

ভুক্তভোগী কিশোরী দেবিদ্বারের স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই মাদ্রাসাছাত্রী লিটনের চাচাতো বোন। ভুক্তভোগীর বাবা লিটনের বাড়িতে কয়েক মাসের জন্য থেকে পড়াশোনা করার জন্য মেয়েকে সেখানে পাঠান। লিটন পড়ানোর ছলে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে লিটনের পরিবার ভুক্তভোগীকে কৃমিনাশক ওষুধ সেবনের কথা বলে গর্ভপাত হওয়ার ওষুধ সেবন করায়। এতে তার পেটের ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসায় বিয়ের কথা বলা হয়। এতে লিটনের পরিবার রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা দেবিদ্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।  

এ বিষয়ে মামলার বাদী ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বলেন, 'লিটন আমার ভাতিজা। সে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে আমার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।'

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আনোয়ার বলেন, 'ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবার লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লিটন নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।'

আজ লিটনকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।  

advertisement
Evall
advertisement