advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চীনে ১৪ হাজার মাস্ক পাঠালেন বাংলাদেশি ছাত্র

চীন প্রতিনিধি
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৩০ | আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৩০
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলােদেশি ছাত্র মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান অনিক। তার পাঠানো মাস্ক বিতরণ হচ্ছে চীনে। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীনের অবস্থা করুণ। দেশটির প্রতিটি প্রদেশে মাস্কের পরিমাণ কমছে দিন দিন। এ মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কাজটিতে সহায়তা করার জন্য চীনে সার্জিক্যাল মাস্ক পাঠিয়েছেন বাংলাদেশি এক ছাত্র। নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশটির বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় ১৪ হাজার মাস্ক পাঠিয়েছেন তিনি।

চীনে অধ্যয়নরত এই ছাত্রের নাম মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান অনিক। তিনি দেশটির চিয়াংশি প্রদেশের নানছাং শহরে অবস্থিত চিয়াংশি ইউনির্ভাসিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনোমিক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ইকনোমিক্স বিভাগে তৃতীয় বর্ষের চায়নিজ মিডিয়ামে পড়াশুনা করছেন।

নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে অনিক মাস্কগুলো পাঠান। নিজ অর্থায়নে বাংলাদেশ থেকে তিনি মাস্কগুলো পাঠিয়েছেন। গত রোববার বিকেলে চিয়াংশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ডরমিটরি লবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা সেখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাস্কগুলো বিতরণ করা হয়।

বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান আনিক। দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমার চীনা বন্ধুরা যখন আমাকে সেখানকার পরিস্থিতি জানাল, তখন খুবই খারাপ লাগছিল। চীন আমার দ্বিতীয় বাড়ি। তাই আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজার সহ অন্যান্য বিভিন্ন দাতব্যসংস্থায় ১১ হাজার মাস্ক ডোনেশন করি।’

অনিকের পাঠানো মাস্ক পেয়েছেন তার বিদেশি বন্ধুরা। অনিকের এমন উদ্যোগে গর্বিত। বাংলাদেশ ও অনিকের প্রশংসাও করছেন তারা। চিয়াংশি ইউনির্ভাসিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনোমিক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে ধন্যবাদ পত্রও দেওয়া হয়েছে।

চিয়াংশির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র কেট ও জেরাল্ড কিং বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র অনিকের মন অত্যন্ত কোমল, সে হৃদয়বান। সে চীন না থাকলেও আমাদের সঙ্গে আছেন, আমাদের ভালোবাসেন। তাকে ও বাংলাদেশকে ধন্যবাদ। এই দুঃসময়ে সহপাঠীর কাছ থেকে এমন সহায়তা, এর চেয়ে ভালো আর হতে পারে না। আমরা ক্রমাগত প্রার্থনা করছি, খুব শীঘ্রই আমাদের সাধারণ জীবনযাত্রায় ফিরতে পারব।

advertisement
Evall
advertisement