advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুদকের ক্ষমতা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে
টিআইবির সুপারিশগুলো আমলে নিন

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:০৭
advertisement

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলমান দুর্নীতির ব্যাপকতা রোধে রাষ্ট্রযন্ত্র সাফল্য অর্জন থেকে বহু দূরে রয়েছে। সার্বিক বিচারে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতির কারণেই দুর্নীতির রাস টানা যাচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ক্ষমতা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গত মঙ্গলবার টিআইবি এক প্রতিবেদনে জানায়, দুদকের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের রাজনীতিকদের হয়রানি এবং ক্ষমতাসীন দল ও জোটের রাজনীতিকদের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের প্রশ্নে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুসন্ধান ও তদন্তকাজে কর্মীদের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এসেছে। দুদক অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করার জন্য আইনের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেছে। মামলা দায়ের ও শাস্তির হার বিবেচনায় দুর্নীতির অনুসন্ধান ও তদন্ত এখনো মানসম্মতভাবে দক্ষ ও পেশাদার নয়। টিআইবির প্রতিবেদনে দুদকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেÑ দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগের আগে গণশুনানির আয়োজন করা, দুদকের কাজ তদারকিতে যোগ্যতাসম্পন্ন জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে স্বাধীন কমিটি গঠন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধানের সংখ্যা বাড়ানো, দুদকে পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দ ও দক্ষ জনবল বাড়ানো। আমরা মনে করি, টিআইবির সুপারিশগুলো আমলে নেওয়া প্রয়োজন।

দুদকের এই বেছে বেছে দুর্নীতি দমন তৎপরতায় দুর্নীতি কমছে না, বরং ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় বাড়ছে। দুর্নীতি করলে সাজা ভোগ করতে হয় এটা যত বেশি প্রমাণিত হবে, তত বেশি সচেতন হবে সমাজ। আর এ কার্যক্রম যদি চলে দলমতের ঊর্ধ্বে সবার জন্য, তখন অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা পাবে এটা। এসব দায়িত্ব পরিচালনার জন্য দুদককে বেশ কিছু ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। সুতরাং প্রতিষ্ঠানটিকে সবাই স্বাধীন ও সক্রিয় দেখতে চায়। আশা করি, সব জড়তা কাটিয়ে এরা আইনের বাতাবরণে এ জাতীয় দায়িত্ব পালনে তৎপর হবে।

advertisement
Evall
advertisement