advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা
কঠোর নজরদারি চালিয়ে যেতে হবে

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:০৭
advertisement

প্রতিবছর রমজান শুরু হওয়ার আগে থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। মাস দুই আগে থেকেই সরকার টিসিবির মাধ্যমে বিশেষ কয়েকটি আইটেমের বিকল্প আমদানির ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করে থাকে। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গেও চলে সংলাপ। তার পরও রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অনেকটা নিয়মে পরিণত হয়েছে।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যোর ঊর্ধ্বগতি এবং আগামী রমজানে সে পরিস্থিতি আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা করছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। সে পরিপ্রেক্ষিতে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এরই মধ্যে গঠন করা হয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি। সরকারের বিপণন সংস্থা টিসিবির দাবি, আগের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ মজুদ বাড়িয়েছে তারা। রমজান মাস কেন্দ্র করে এমন প্রতিশ্রুতি-অঙ্গীকার নতুন কিছু নয়।

এ বছর দেখা যাচ্ছে, রমজান শুরু হওয়ার আগে থেকেই চিনি বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে, যার পেছনে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা স্পষ্টতই অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। রমজান শুরু হওয়ার পর তারা আরও মুনাফার লোভে পড়বেন না, এ কথা জোর দিয়ে বলা যায় না। আমাদের দেশে বাজারের ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি বহুল প্রচলিত। এর বিপরীতে সরকার কিংবা বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্বশীলরা এ ব্যাপারে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা বললেও কার্যত তাদের ভূমিকা কিংবা কার্যক্রম নিয়ে ভোক্তার মনে প্রশ্ন আছে।

আসলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে কঠোরভাবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দলগুলোকে সব সময় কঠোর নজরদারি চালিয়ে যেতে হবে। এ ব্যাপারে এফবিসিসিআইয়ের নিজস্ব তদারকিও সহায়ক হবে।

advertisement
Evaly
advertisement