advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ির ছেলে- মধুবাগের মেয়ের বিবাহ দ্বন্দ্বে খুন হয় শিপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:১৯ | আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৩৩
ছুরিকাঘাতে নিহত শিপন হাসান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকায় শিপন হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (পশ্চিম) বিভাগ। মূলত একটি প্রেম-বিয়ের ঘটনার জের ধরে মহল্লা কেন্দ্রিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই দ্বন্দ্বের কারণেই শিপনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-আজাদ, সুজন ও ইব্রাহীম। গতকাল বুধবার ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ভিকটিম শিপনের হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন।

তিনি বলেন, মধুবাগ এলাকার একটি মেয়ের সঙ্গে বেগুনবাড়ির আজাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিকভাবে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ওই মেয়ের বাসায় আজাদের পরিবার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায়। কিন্তু বেগুনবাড়ির ছেলে মধুবাগ এলাকার মেয়েকে বিয়ে করবে কেন? এই ভেবে মধুবাগের ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে আজাদ ও তার পরিবারকে আটক রেখে অপমান করে। মূলত এই ঘটনার জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছায় এবং শিপন হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আবদুল বাতেন বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে শিপন ও তার বন্ধু মানিক মোটরসাইকেলে হাতিরঝিলে ঘুরতে যায়। তারা আনুমানিক রাত ৯টা ১৫ মিনিটে মধুবাগ ব্রিজের মোড়ে এসে ইউটার্ন করে মধুবাগ ব্রিজের দিকে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা তাদের সহযোগীদের সহায়তায় শিপনকে মোটরসাইকেল থেকে নামান।

এরপর গ্রেপ্তার আজাদ তার হাতে থাকা সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে শিপনের পেটে জখম করে। এ সময় শিপনকে বাঁচাতে তার বন্ধু মানিক এগিয়ে আসলে তাকেও চাকু দিয়ে পেটে জখম করে পালিয়ে যায় তারা। পরে শিপন ও মানিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন রাতেই মারা যান।

advertisement