advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ড : দগ্ধ দুজনের শরীর একেবারে পুড়ে গেছে  

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৪২ | আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৪২
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

রাজধানীর ইস্কাটনের দিলু রোডের একটি আবাসিক ভবনের গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দিলু রোডের একটি পাঁচতলা ভবনের গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যান তারা।

নিহতরা হলেন, আবদুল কাদের (৪৫), আফরিন জান্নাত (১৭) ও এ কে এম রুশদী (৫)।

চিকিৎসক ও পুলিশ বলছে, নিহতদের মধ্যে আবদুল কাদের ছাড়া বাকি দুজনের শরীর একেবারে পুড়ে গেছে। তাদের চেনা যাচ্ছে না। অন্য কোনো দাবিদার না থাকায় পরিবারের কাছে লাশ দুটি হস্তান্তর করা হবে। অবশ্য এই দুটি লাশের ডিএনএ সংরক্ষণ করা হবে। ফলে কোনো সমস্যা হবে না।

নিহত আবদুল কাদেরের বাবার নাম মোহাম্মদ উল্লাহ। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম নন্দনপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। তিনি ওই ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ‘ক্ল্যাসিক ফ্যাশন’ বায়িং হাউসের অফিস সহকারী ছিলেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তারা গ্রামের বাড়িতে থাকেন। কাদের তার কর্মস্থলেই থাকতেন। মর্গে তার স্বজনেরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।

মৃত এ কে এম রুশদীর বাবার নাম শহিদুল। মা জান্নাতুল ফেরদৌসী। নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ইটনা গ্রামে বাড়ি। লাশ শনাক্ত করেন শিশুটির দাদা এ কে এম শহিদুল্লাহ। এ আগুনের ঘটনায় মৃত রুশদীর মা-বাবা উভয়ই দগ্ধ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তারা চিকিৎসাধীন।

মৃত আফরিন জান্নাত ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম (৪২) পূর্ত ভবনের প্রশাসনিক সেকশনে চাকরি করেন। তার মা লাল বানু (৩৫) গৃহিণী। তারা ওই ভবনের ছাদের একটি রুমে থাকেন।

আফরিনের চাচা মো. সুরুজ্জামান বলেন, ‘আগুন লাগার খবরে আতঙ্কিত হয়ে আফরিন সিঁড়ি দিয়ে নিচের দিকে নামে। আর ওপর থেকে বাবা ও ভাই গ্রিল বেয়ে নামেন। তারা দুজনেই সামান্য আহত হন। আফরিনের মা নামতে গিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। তার পা ও কোমরের হাড় ভেঙে যায়। তিনি পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি।’

আফরিনের বাবা বলেন, ‘আমরা ছাদ থেকে পাশের ভবনে লাফিয়ে পড়ি। আমাদের আগেই মেয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচের দিকে চলে যায়। এটা আমারই মেয়ে।’

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সেলিম শাহরিয়ার জীবন স্টালিন বলেন, ‘মৃত তিনজনের মধ্যে শিশুসহ দুজন পুরোপুরি পুরে গেছে, যা দেখে শনাক্ত করার মতো না। তাই পোড়া দুজনেরই ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য, নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক বিভাগকে বলা হয়েছে। আর আবদুল কাদের পোড়েননি। সম্ভবত তিনি ধোঁয়ার কারণে মারা গেছেন।’

advertisement