advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাবিতে বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবিতে অনশন, ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:১৪ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:১৪
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘ফলিত পরিসংখ্যান’ করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত বুধবার বেলা ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে অনশন করছেন।

বুধবার অনশনে তিনজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারা হলেন- মাস্টার্সের রুহুল কুদ্দুস, চতুর্থ বর্ষের মুসাব্বির উল্লাহ এবং দ্বিতীয় বর্ষের নিশি খাতুন। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আরও প্রায় ১৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন- মাস্টার্সের সুলেখা খাতুন, লিজা আক্তার, মদিনা আক্তার ও জিমরান সাকিব, চতুর্থ বর্ষের তপুশ্রী স্যান্যাল, রওনক জাহান ও অর্পিতা বর্ধন, তৃতীয় বর্ষের আয়নাল হক, আরিফ খান, তুহিন ও জান্নাত ভিবা, দ্বিতীয় বর্ষের আবিদ হাসান, সাব্বির ও অর্ণব এবং প্রথম বর্ষের সাগর সরকার, নাঈম হাসান ও এনামুল। তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

অনশনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয় দিনের অনশন চলছে। এবার আমরা আর আশ্বাস নিয়ে ফিরতে চাই না। বিভাগের নাম পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত, লিখিত প্রমাণ বা ডকুমেন্ট না পাওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন অব্যাহত রাখব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান বিকেলে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে যান এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কথা শোনেননি। তারা বিভাগ পরিবর্তনের লিখিত প্রমাণ চান।

এ বিষয়ে রাবি উপাচার্য বলেন, ‘রাতারাতি তো বিভাগের নাম পরিবর্তন করা যায় না। একটি বিভাগের নাম পরিবর্তন করতে ইউজিসির একটি প্রক্রিয়া আছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল আছে তারপর তো একটি বিভাগের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে।’ বিষয়টি নিয়ে আগামী সোমবার আলোচনা হবে বলে জানান উপাচার্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন তাতে শিক্ষার্থীরা রাজি হননি। উপাচার্য তখন ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। পরে ঢাকা থেকে আসার পর উপাচার্য তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ঢাকায় থাকায় উপ-উপাচর্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া শিক্ষার্থীদের অনশন তুলে নেওয়া কথা বলেন কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের কথা শোনেননি। বুধবার থেকে তারা বিভাগের সামনে অনশন করেন পরে রাতে সেখানেই অবস্থান করেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ কর্মকমিশনে বিষয়কোড অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত ১৯ জানুয়ারি  থেকে আন্দোলন করে আসছিলেন। এতে কোনো সুরাহা না হওয়ায় বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ফলিত পরিসংখ্যান করার দাবিতে বুধবার থেকে তারা অনশনে যান।

advertisement
Evall
advertisement